নিজ প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে পড়ান কারা, ৪০০ জনে হাত তুললেন ২০ শিক্ষক

শিক্ষকরা নিজে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত, সন্তানদের সেখানে পড়ান না- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিষয়টি সামনে এনে তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রশ্ন করেন, ‘কার কার সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে পড়ান, হাত তুলুন তো।’ মন্ত্রীর এমন প্রশ্নে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষক হাত উঁচু করেন। অথচ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন চার শতাধিক শিক্ষক। এতে হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সভাটির আয়োজন করে। আরও পড়ুন জানালেন শিক্ষামন্ত্রী / আগামীতে মাদরাসা-কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘দেখুন, আপনারা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি নিজের সন্তানকেই ভর্তি করিয়ে পড়ানোর কনফিডেন্স না পান, তাহলে বুঝতে হবে কী পড়ান! কিছুই হয় না, গুরুত্বই দেন না।’ এসময় শিক্ষকদের কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেন যে, তার সন্তান ভিন্ন জেলায় বা ঢাকাতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন। শিক্ষকদের এমন দাব

নিজ প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে পড়ান কারা, ৪০০ জনে হাত তুললেন ২০ শিক্ষক

শিক্ষকরা নিজে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত, সন্তানদের সেখানে পড়ান না- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিষয়টি সামনে এনে তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রশ্ন করেন, ‘কার কার সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে পড়ান, হাত তুলুন তো।’

মন্ত্রীর এমন প্রশ্নে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষক হাত উঁচু করেন। অথচ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন চার শতাধিক শিক্ষক। এতে হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সভাটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘দেখুন, আপনারা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি নিজের সন্তানকেই ভর্তি করিয়ে পড়ানোর কনফিডেন্স না পান, তাহলে বুঝতে হবে কী পড়ান! কিছুই হয় না, গুরুত্বই দেন না।’

এসময় শিক্ষকদের কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেন যে, তার সন্তান ভিন্ন জেলায় বা ঢাকাতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন। শিক্ষকদের এমন দাবির পর মন্ত্রী বলেন, ‘তাই বলে ৪০০ শিক্ষকের পরিবারই কি ঢাকায় থাকে!’

এএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow