নিজ বাড়িতে বিস্ফোরণে আহত মাদ্রাসাছাত্র, পুলিশের মামলা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ মার্চ) টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক শুকুর আলী বাদী হয়ে মাদ্রাসাছাত্র মতিউর রহমানসহ (২৩) অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন। আহত মতিউর রহমান টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার এলাকার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসার ছাত্র।  স্বজনদের দাবি, তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে মাওলানা পাস করার কথা ছিল। আহত মতিউরের বাবা মোস্তাক আহম্মেদ ও দুলাভাই কাইয়ুম দাড়িয়ার দাবি, এক আত্মীয়ের বিয়েকে কেন্দ্র করে মতিউর আতশবাজি তৈরির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিস্ফোরণ ঘটে তার ডান হাতের আঙুলের একটি অংশ উড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ রাতে উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা গ্রামে মতিউরের নিজ বাড়িতে কয়েকজনের সঙ্গে ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মতিউরের হাত, পা ও মুখ ঝলসে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত চারজন পালিয়ে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয়রা ছুটে

নিজ বাড়িতে বিস্ফোরণে আহত মাদ্রাসাছাত্র, পুলিশের মামলা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় এক মাদ্রাসাছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৫ মার্চ) টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক শুকুর আলী বাদী হয়ে মাদ্রাসাছাত্র মতিউর রহমানসহ (২৩) অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন।

আহত মতিউর রহমান টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার এলাকার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসার ছাত্র। 

স্বজনদের দাবি, তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে মাওলানা পাস করার কথা ছিল।

আহত মতিউরের বাবা মোস্তাক আহম্মেদ ও দুলাভাই কাইয়ুম দাড়িয়ার দাবি, এক আত্মীয়ের বিয়েকে কেন্দ্র করে মতিউর আতশবাজি তৈরির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিস্ফোরণ ঘটে তার ডান হাতের আঙুলের একটি অংশ উড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ রাতে উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা গ্রামে মতিউরের নিজ বাড়িতে কয়েকজনের সঙ্গে ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মতিউরের হাত, পা ও মুখ ঝলসে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। এসময় সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত চারজন পালিয়ে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী জানান, ঘটনার পরদিন ২৪ মার্চ দুপুরে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় একটি অবিস্ফোরিত ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে এসএস পাইপের টুকরা, বাঁশের হাতলযুক্ত লোহার হাতুড়ি, দিয়াসলাই বাক্সের ১৮টি খোসা এবং বারুদমুক্ত ৩০০টি কাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। 

ওসি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow