নিভৃতে অসুস্থতার সঙ্গে লড়ছেন খালেদা আক্তার কল্পনা

ঢালিউডের রুপালি পর্দার একসময়ের দাপুটে ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা আজ গুরুতর অসুস্থ। লাইট, ক্যামেরা-অ্যাকশনের ঝলমলে দুনিয়া থেকে দূরে, বার্ধক্য আর অসুস্থতার কাছে হার মেনে অনেকটা নিভৃতেই কাটছে তার দিন। অসংখ্য কালজয়ী সিনেমার এই প্রাণভোমরা এখন কেবলই স্মৃতি আর যন্ত্রণার ঘেরাটোপে বন্দি। তার সেই চিরচেনা হাসিমাখা মুখটি আজ শারীরিক জটিলতায় ম্লান, যা চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ ভক্তদের মনে বিষাদের এক গভীর ছায়া ফেলেছে। তার এই অসুস্থতার খবর নিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য গণমাধ্যমকে সনি রহমান বলেন, ‘চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেত্রী ও মমতাময়ী মা কল্পনা আপুর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাকে বলেছি, যে কোনো প্রয়োজনে যেন আমাদের জানান। শিল্পী সমিতি সবসময় শিল্পীদের পাশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। কল্পনা আপুও সেই বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছেন। তবে সবার প্রার্থনায় দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।‘ উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের ম

নিভৃতে অসুস্থতার সঙ্গে লড়ছেন খালেদা আক্তার কল্পনা

ঢালিউডের রুপালি পর্দার একসময়ের দাপুটে ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা আজ গুরুতর অসুস্থ। লাইট, ক্যামেরা-অ্যাকশনের ঝলমলে দুনিয়া থেকে দূরে, বার্ধক্য আর অসুস্থতার কাছে হার মেনে অনেকটা নিভৃতেই কাটছে তার দিন। অসংখ্য কালজয়ী সিনেমার এই প্রাণভোমরা এখন কেবলই স্মৃতি আর যন্ত্রণার ঘেরাটোপে বন্দি। তার সেই চিরচেনা হাসিমাখা মুখটি আজ শারীরিক জটিলতায় ম্লান, যা চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ ভক্তদের মনে বিষাদের এক গভীর ছায়া ফেলেছে।

তার এই অসুস্থতার খবর নিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য গণমাধ্যমকে সনি রহমান বলেন, ‘চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেত্রী ও মমতাময়ী মা কল্পনা আপুর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাকে বলেছি, যে কোনো প্রয়োজনে যেন আমাদের জানান। শিল্পী সমিতি সবসময় শিল্পীদের পাশে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। কল্পনা আপুও সেই বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছেন। তবে সবার প্রার্থনায় দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।‘

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করেন খালেদা আক্তার কল্পনা। তারপর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। 

পরিচালক মিজানুর রহমানের ‘হনুমানের পাতাল বিজয়’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হলেও তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল মতিন রহমান পরিচালিত ‘রাধাকৃষ্ণ’। 

অগণিত দর্শককে মা, বোন কিংবা দাদির চরিত্রে মায়ার বাঁধনে বেঁধেছেন কল্পনা, কিন্তু তিনি আজ জীবনের সেই রুপালি পর্দার বাইরে লড়ছেন একান্ত নিজের সঙ্গে। বয়স এবং অসুস্থতা হয়তো তার শরীরকে কিছুটা ক্লান্ত করেছে, কিন্তু ভক্তদের হৃদয়ে তার আবেদন আজও অম্লান। 

পর্দার উজ্জ্বল এই মুখের জন্য সহকর্মী ও ভক্ত-অনুরাগীদের  এখন একটাই প্রার্থনা—সব বাধা পেরিয়ে তিনি আবারও সুস্থ হয়ে হাসিমুখে আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। আবারও প্রাণ ফিরে পাক তার কর্মব্যস্ত প্রতিটি মুহূর্ত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow