নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করি, সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত, সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সালন্দর ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ভিক্ষা বা দয়ায় বাঁচতে চাই না, কাজ করে বাঁচতে চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা শুধু পড়াশোনা করে পাস করতে চায়, কিন্তু পাস করলেই চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশ-বিদেশে কাজ করলে ভালো আয় করা সম্ভব। সেদিকেই তরুণদের মনোযোগী করতে হবে। তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর এসব কথা বলার সুযোগ ছিল না। আমাদের শুধু পিটিয়েছে, মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে সবজি সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের জন্য কুটিরশিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। বিএনপির মহাসচিব বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি এবং আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমার ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও কোনো বরাদ্দ

নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করি, সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত, সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সালন্দর ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ভিক্ষা বা দয়ায় বাঁচতে চাই না, কাজ করে বাঁচতে চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা শুধু পড়াশোনা করে পাস করতে চায়, কিন্তু পাস করলেই চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশ-বিদেশে কাজ করলে ভালো আয় করা সম্ভব। সেদিকেই তরুণদের মনোযোগী করতে হবে। তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর এসব কথা বলার সুযোগ ছিল না। আমাদের শুধু পিটিয়েছে, মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে সবজি সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের জন্য কুটিরশিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। বিএনপির মহাসচিব বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি এবং আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমার ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি, ফলে উন্নয়নমূলক কাজ করা যায়নি। সরকার পরিবর্তনের পর শহরের রাস্তার কাজ আমরা নিয়ে এসেছি। তিনি বলেন, অতীতেও আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, এবারও দেবেন। আমরা রাজনীতি করে ব্যাবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। জমিজমার অর্ধেক শেষ হয়ে গেছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন- আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন। গণসংযোগে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow