নির্মাণাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া -রবিরবাজার সড়কে নির্মাণাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। রোববার (১১ এপ্রিল) কুলাউড়া - রবিরবাজার সড়কের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজ নির্মাণের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে ডাইভারশন ছাড়াই কাজ করায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। রোববার রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথ দিয়ে চলাচল করায় সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে।  জানা গেছে, নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে ডাইভারশনের ব্যবস্থা না করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার চলমান কাজ প্রায় ছয় মাস থেকে চলছে। ৩৩ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা না করে প্রথম পর্যায়ে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ডাইভারশন না করে, প্রথম ধাপের শেষ হওয়া অংশে ৪-৫ দিন আগ থেকে যোগ

নির্মাণাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া -রবিরবাজার সড়কে নির্মাণাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

রোববার (১১ এপ্রিল) কুলাউড়া - রবিরবাজার সড়কের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজ নির্মাণের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে ডাইভারশন ছাড়াই কাজ করায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। রোববার রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথ দিয়ে চলাচল করায় সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে। 

জানা গেছে, নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে ডাইভারশনের ব্যবস্থা না করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার চলমান কাজ প্রায় ছয় মাস থেকে চলছে। ৩৩ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা না করে প্রথম পর্যায়ে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ডাইভারশন না করে, প্রথম ধাপের শেষ হওয়া অংশে ৪-৫ দিন আগ থেকে যোগাযোগ চালু করে দ্বিতীয় ধাপের বাকী কাজ শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে কাজ শুরু হলে গত শনিবার রাতে বৃষ্টির পানি ও উজানের ঢলে গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যায়। এতে রোববার সকাল থেকে এই সড়কে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

পথচারী রাজু আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম জানান, কয়েকমাস থেকে ডাইভারশন ছাড়া ব্রিজের কাজ চলছে। অর্ধেক ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। মাটি ও গাইডওয়াল ধসের কারণে ব্রিজে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিকল্প সড়কে যাতায়াত করায় অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে।

সিএনজি চালক রহিম জানান, ব্রিজের অল্প অংশে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হয়। ব্রিজ বন্ধ করায় বিকল্প পথে চলাচলের কারণে কিছুটা ভাড়া বেশি নিতে হচ্ছে।

কাজ সম্পাদনকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরকে কনস্ট্রাকশন ঢাকার সাইড সাইট ঠিকাদার ডিপু আহমদ জানান, ব্রিজের কাছে পর্যাপ্ত জমি না থাকায় ডাইভারশন করা সম্ভব হয়নি। ধসে যাওয়া এলাকা মেরামতের কাজ চলামান আছে। রাতের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার সার্কেলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্কাস আলী বলেন, জমি স্বল্পতার কারণে নির্মাণাধীন ব্রিজটির জন্য ডাইভারশন করা হয়নি। ধসে যাওয়া অংশের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হচ্ছে। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow