নির্মাতা অনীক দত্তর দেহে আঘাতের চিহ্ন, যা জানা গেল রিপোর্টে

নির্মাতা অনীক দত্তর রহস্যমৃত্যু ঘিরে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে আচমকাই খবর ছড়িয়ে পড়ে, বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এরই মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। মৃত্যুর পর বুধবারই এসএসকেএম হাসপাতালে পরিচালকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। আর সেই প্রাথমিক রিপোর্টেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর আঘাতের তথ্য। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, অনীক দত্তর মাথা ও ঘাড়ে গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের দাবি, তার মস্তিষ্কে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ইন্ট্রাক্রানিয়াল হেমারেজ’। এছাড়াও মাথার খুলি ও মস্তিষ্কের বাইরের আবরণের মাঝে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনাও ধরা পড়েছে, যা ‘এপিডিউরাল হেমাটোমা’ নামে পরিচিত। প্রাথমিক রিপোর্টে আরও জানা গেছে, পরিচালকের মাথার বাঁ দিকে সবচেয়ে গুরুতর আঘাত লাগে। চিকিৎসকদের অনুমান, উপর থেকে পড়ার সময় প্রথম ধাক্কাটি মাথার বাঁ পাশেই লাগে। এর ফলে খুলির বাঁ দিকের হাড় ভেঙে দুই টুকরো হয়ে যায়। শুধু মাথাতেই নয়, শরীরের

নির্মাতা অনীক দত্তর দেহে আঘাতের চিহ্ন, যা জানা গেল রিপোর্টে

নির্মাতা অনীক দত্তর রহস্যমৃত্যু ঘিরে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে আচমকাই খবর ছড়িয়ে পড়ে, বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এরই মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ।

মৃত্যুর পর বুধবারই এসএসকেএম হাসপাতালে পরিচালকের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। আর সেই প্রাথমিক রিপোর্টেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর আঘাতের তথ্য।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, অনীক দত্তর মাথা ও ঘাড়ে গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের দাবি, তার মস্তিষ্কে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ইন্ট্রাক্রানিয়াল হেমারেজ’। এছাড়াও মাথার খুলি ও মস্তিষ্কের বাইরের আবরণের মাঝে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনাও ধরা পড়েছে, যা ‘এপিডিউরাল হেমাটোমা’ নামে পরিচিত।

প্রাথমিক রিপোর্টে আরও জানা গেছে, পরিচালকের মাথার বাঁ দিকে সবচেয়ে গুরুতর আঘাত লাগে। চিকিৎসকদের অনুমান, উপর থেকে পড়ার সময় প্রথম ধাক্কাটি মাথার বাঁ পাশেই লাগে। এর ফলে খুলির বাঁ দিকের হাড় ভেঙে দুই টুকরো হয়ে যায়।

শুধু মাথাতেই নয়, শরীরের আরও একাধিক জায়গায় ভয়াবহ আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। বুকের বাঁ পাশের পাঁজরের হাড় ভাঙা ছিল। বাঁ পায়ের অবস্থাও ছিল আশঙ্কাজনক। কোমরের হাড় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। পাশাপাশি ফিমার বোন ও পেলভিক বোনও ভেঙে যায় বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়াও উপর থেকে পড়ার সময় দেওয়াল বা কার্নিশের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় মুখের বাঁ পাশের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসকদের দাবি, ফুসফুসেও প্রচুর রক্ত জমাট বেঁধেছিল। এমনকি ফুসফুসের বাইরের আবরণ ‘প্লুরা’র দুই স্তরের মাঝেও রক্ত জমার প্রমাণ মিলেছে।

আরও পড়ুন:
‘ভূতের ভবিষ্যৎ’খ্যাত নির্মাতা মারা গেছেন 
দীর্ঘদিন পর স্ত্রীকে নিয়ে প্রকাশ্যে সানি দেওল, চমকে গেলেন অনুরাগীরা 

এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, অনেক উঁচু থেকে পড়লে এ ধরনের গুরুতর আঘাত দেখা যায়। তবে এটি দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কিছু-তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow