নেইমারকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য আনচেলত্তির
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে বোস্টনে ফ্রান্সের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ প্রীতি ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নেইমার ইস্যুতে মুখ খুলেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সান্তোসের হয়ে খেলা নেইমারকে দলে না নেওয়া নিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল মহলে যে বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন- দল নির্বাচন তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এখানে আবেগের চেয়ে যুক্তির প্রাধান্য বেশি। নেইমারকে কেন দলে রাখা হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে ইতালিয়ান কোচ বলেন, ‘আমি সব দেখছি, সব শুনছি। কিন্তু আমার কাজ হলো সিদ্ধান্ত নেওয়া। এটা স্বাভাবিক যে সবার নিজস্ব মতামত থাকবে, কারণ ফুটবল কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়... ফুটবল কোনো ধ্রুব বিজ্ঞান নয়। প্রত্যেকের মতামতের প্রতি আমার সম্মান আছে, কিন্তু দলের প্রয়োজনে আমাকেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আনচেলত্তি একবারও নেইমারকে স্কোয়াডে ডাকেননি, যা নিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আনচেলত্তির ওপর চাপ বাড়াতে একাট্টা ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকারা। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের নায়ক রোমারিও সরাসরি বলেছেন, ‘একজন তারকা খেলোয়াড়কে খেলাতেই হবে। জাতীয়
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে বোস্টনে ফ্রান্সের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ প্রীতি ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নেইমার ইস্যুতে মুখ খুলেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সান্তোসের হয়ে খেলা নেইমারকে দলে না নেওয়া নিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল মহলে যে বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন- দল নির্বাচন তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, এখানে আবেগের চেয়ে যুক্তির প্রাধান্য বেশি।
নেইমারকে কেন দলে রাখা হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে ইতালিয়ান কোচ বলেন, ‘আমি সব দেখছি, সব শুনছি। কিন্তু আমার কাজ হলো সিদ্ধান্ত নেওয়া। এটা স্বাভাবিক যে সবার নিজস্ব মতামত থাকবে, কারণ ফুটবল কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়... ফুটবল কোনো ধ্রুব বিজ্ঞান নয়। প্রত্যেকের মতামতের প্রতি আমার সম্মান আছে, কিন্তু দলের প্রয়োজনে আমাকেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আনচেলত্তি একবারও নেইমারকে স্কোয়াডে ডাকেননি, যা নিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আনচেলত্তির ওপর চাপ বাড়াতে একাট্টা ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকারা। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের নায়ক রোমারিও সরাসরি বলেছেন, ‘একজন তারকা খেলোয়াড়কে খেলাতেই হবে। জাতীয় দল হলো সেরাদের জায়গা। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এক মাস সময় যথেষ্ট, যাতে একজন অ্যাথলেট শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে ফিরে পায়। ১০০ ভাগ ফিট না হলেও নেইমারের মতো একজন জাদুকরকে দলে রাখা যেকোনো সাধারণ খেলোয়াড়ের চেয়ে ভালো।’
একই সুরে কথা বলেছেন ‘দ্য ফেনোমেনন’ খ্যাত রোনালদো নাজারিও। তিনি বলেন, ‘নেইমার যদি শারীরিকভাবে খেলার যোগ্য থাকে, তবে আমি নিশ্চিত আনচেলত্তি তাকে বিশ্বকাপে নিয়ে যাবে। সে দলকে অনেক সাহায্য করতে পারে।’
সান্তোসে খেললেও নেইমার যে এখনো সতীর্থদের কাছে সেরা, তা স্পষ্ট করেছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ফাবিনহো। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে নেইমার এখনো ব্রাজিলের সবচেয়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড়। সে যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ফর্মে থাকলে নেইমারই সেরা।’
What's Your Reaction?