নেত্রকোনায় চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
নেত্রকোনায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নজরুল ইসলাম (৩৬) নামে এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সদর আমলী আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম জেলা সদরের কয়ড়া গ্রামের নাইব উদ্দিনের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার বাংলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। নজরুল ইসলামের দলীয় পদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলা ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, আজকে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে কি ঘটনায় মামলা হয়েছি তা সঠিক জানি না। শুনেছি তাদের পারিবারিক ঝামেলা হয়েছিল। এছাড়া এই মামলায় নজরুল ইসলামের সঙ্গে একই এলাকার চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ব্যবসায়ী মো. রুবেল রানা (৩৯) আদালতে দেওয়া অভিযোগে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় জুতার ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি বর্তমানে নেত্রকোনায় ‘মেসার্স সন্ধি ট্রেডার্স’ নামে বালু, পাথর ও কয়লার ব্যবসা করছেন। অভিযুক্ত নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে
নেত্রকোনায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নজরুল ইসলাম (৩৬) নামে এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সদর আমলী আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম জেলা সদরের কয়ড়া গ্রামের নাইব উদ্দিনের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার বাংলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।
নজরুল ইসলামের দলীয় পদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলা ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, আজকে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে কি ঘটনায় মামলা হয়েছি তা সঠিক জানি না। শুনেছি তাদের পারিবারিক ঝামেলা হয়েছিল।
এছাড়া এই মামলায় নজরুল ইসলামের সঙ্গে একই এলাকার চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী ব্যবসায়ী মো. রুবেল রানা (৩৯) আদালতে দেওয়া অভিযোগে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় জুতার ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি বর্তমানে নেত্রকোনায় ‘মেসার্স সন্ধি ট্রেডার্স’ নামে বালু, পাথর ও কয়লার ব্যবসা করছেন। অভিযুক্ত নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের অজহর রোডে রুবেল রানা তার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও গাড়িচালককে নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে একদল লোক তার গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তাকে জোরপূর্বক মোক্তারপাড়া মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নজরুল ইসলামসহ কয়েকজন তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং তার পকেটে থাকা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রুবেল রানা আরও দাবি করেন, তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। যাওয়ার সময় বাকি টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পরদিন নজরুল ইসলাম মোবাইলফোনে বাদীর প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে হুমকি দেন। এছাড়া ঘটনাস্থলের কাছের একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার কিছু অংশ ধারণ হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
বাদী পক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম প্রদীপ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ মামলায় আসামি নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এইচ এম কামাল/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?