নেদারল্যান্ডসের শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রে আগুন বিক্ষোভকারীদের
নেদারল্যান্ডসের লুসড্রেখট শহরে অভিবাসবিরোধী বিক্ষোভকারীরা একটি শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে। ঘটনার সময় ভবনটিতে ১৫ জন শরণার্থী অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে শরণার্থীদের ওই আশ্রয়কেন্দ্রে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেয় তারা বিক্ষোভকারীরা। খবর ডাচ সংবাদমাধ্যম এনওএস-এর। এনওএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হেগ ও আপেলডর্নে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ হয়। এরপর লুসড্রেখটের শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রটির সামনে প্রায় ৪০০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে আতশবাজি ও আগুনের গোলা ছুড়তে শুরু করে। এরপর ভবনের পাশের ঝোপে আগুন লেগে যায়। দমকলকর্মীরা আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের পথও অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে জরুরী আদেশ জারি করা হয়। দাঙ্গা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা কোনো শরণার্থী আহত হননি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন এ ঘটনাকে
নেদারল্যান্ডসের লুসড্রেখট শহরে অভিবাসবিরোধী বিক্ষোভকারীরা একটি শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে। ঘটনার সময় ভবনটিতে ১৫ জন শরণার্থী অবস্থান করছিলেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে শরণার্থীদের ওই আশ্রয়কেন্দ্রে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেয় তারা বিক্ষোভকারীরা। খবর ডাচ সংবাদমাধ্যম এনওএস-এর।
এনওএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হেগ ও আপেলডর্নে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ হয়। এরপর লুসড্রেখটের শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রটির সামনে প্রায় ৪০০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে আতশবাজি ও আগুনের গোলা ছুড়তে শুরু করে। এরপর ভবনের পাশের ঝোপে আগুন লেগে যায়।
দমকলকর্মীরা আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের পথও অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে জরুরী আদেশ জারি করা হয়। দাঙ্গা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা কোনো শরণার্থী আহত হননি।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন এ ঘটনাকে ‘চরম লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘লুসড্রেখটে একদল দাঙ্গাবাজ যেভাবে সহিংসতা চালিয়েছে, আগুন ধরিয়েছে এবং মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়েছে, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। উদ্বেগ প্রকাশের অধিকার সবার আছে, কিন্তু সহিংসতার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।’
মেয়র ভেরহেইজেন বলেন, দাঙ্গাবাজরা সীমা অতিক্রম করেছে।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করছিলেন, আশ্রয়কেন্দ্রটি লুসড্রেখটের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে। তবে মেয়রের মতে, ভয় ও অনিরাপত্তা তৈরি করছে মূলত বিক্ষোভকারীরাই।
What's Your Reaction?