নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বালেন্দ্র শাহ। শুক্রবার (২৭ মার্চ) প্রেসিডেন্টের কার্যালয় শীতল নিবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল। দেশটির সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে প্রথমবারের মতো মাধেসি সম্প্রদায়ের কোনো নেতা প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত ৫ মার্চের সংসদীয় নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসন থেকে প্রথম-পাস্ট-দ্য-পোস্ট পদ্ধতিতে জয়ী হন শাহ। তিনি সিপিএন-ইউএমএল-এর চেয়ারম্যান কে.পি. শর্মা অলিকে পরাজিত করেন। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনীতিতে আসার আগে বালেন্দ্র শাহ একজন র‍্যাপার ও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২২ সালের স্থানীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তিনি ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে জাতীয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে (আরএসপি) যুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি আরও ১৪

নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বালেন্দ্র শাহ। শুক্রবার (২৭ মার্চ) প্রেসিডেন্টের কার্যালয় শীতল নিবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল।

দেশটির সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালে প্রথমবারের মতো মাধেসি সম্প্রদায়ের কোনো নেতা প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত ৫ মার্চের সংসদীয় নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসন থেকে প্রথম-পাস্ট-দ্য-পোস্ট পদ্ধতিতে জয়ী হন শাহ। তিনি সিপিএন-ইউএমএল-এর চেয়ারম্যান কে.পি. শর্মা অলিকে পরাজিত করেন। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনীতিতে আসার আগে বালেন্দ্র শাহ একজন র‍্যাপার ও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২২ সালের স্থানীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তিনি ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে জাতীয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে (আরএসপি) যুক্ত হন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি আরও ১৪ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন। আরএসপির সহ-সভাপতি স্বর্ণিম ওয়াগলে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। গৃহমন্ত্রী হয়েছেন সুদান গুরুং, আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিশির খানাল।

এছাড়া সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন খড়কা রাজ (গণেশ) পাওডেল। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী হয়েছেন দীপক সাহ। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাসমিত পোখরেল।

যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হয়েছেন বিক্রম তিমিলসিনা। প্রাতিভা রাওয়াল পেয়েছেন ফেডারেল বিষয়ক ও সাধারণ প্রশাসন এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা, সমবায় ও দারিদ্র্য বিমোচন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ মন্ত্রী হয়েছেন বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রী হয়েছেন গীতা চৌধুরী।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন সোবিতা গৌতম। নারী, শিশু ও প্রবীণ নাগরিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সীতা বাদি।

অবকাঠামো ও পরিবহন এবং নগর উন্নয়ন মন্ত্রী হয়েছেন সুনীল লামসাল। স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা এবং পানি সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন নিশা মেহতা।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow