নোয়াখালীতে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে ঠাকুর চাঁন (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা জনারদন (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রেগুলেটর এলাকায় ছোট ফেনী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ঠাকুর চাঁন মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং জনারদনের (৪৫) ছেলে। আহত জনারদনও একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাবা ও ছেলে নদীর পাড়ে বেঁধে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তারা দুজন আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়। এদিকে রবিউল হোসেন নামের আরেক যুবক নিজের তরমুজ ক্ষেতে পাহারা দেওয়ার সময় বজ্রপাতের শব্দ ও আলোর প্রভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আব্দুল করিম বলেন, ‘বাবা ও ছেলেকে বজ্রপাতের পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা ছেলেকে মৃত অবস্থায় পাই। তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।’ ইকব
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে ঠাকুর চাঁন (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা জনারদন (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রেগুলেটর এলাকায় ছোট ফেনী নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
ঠাকুর চাঁন মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং জনারদনের (৪৫) ছেলে। আহত জনারদনও একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাবা ও ছেলে নদীর পাড়ে বেঁধে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তারা দুজন আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়।
এদিকে রবিউল হোসেন নামের আরেক যুবক নিজের তরমুজ ক্ষেতে পাহারা দেওয়ার সময় বজ্রপাতের শব্দ ও আলোর প্রভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আব্দুল করিম বলেন, ‘বাবা ও ছেলেকে বজ্রপাতের পর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা ছেলেকে মৃত অবস্থায় পাই। তার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।’
ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?