ন্যায্য মূল্যে ১২ হাজার লিটার ডিজেল পেলেন কৃষকরা

কৃষকের দুশ্চিন্তা রোধ করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার প্রশাসন। উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের জ্বালানি তেল নিশ্চিত করতে ন্যায্য মূল্যে বিশেষ ডিজেল বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. ইবনে মিজান। এ সময় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ১০ লিটার করে ডিজেল বিক্রি করা হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে সেচকাজের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভরতা বেশি থাকায় কৃষকরা কিছুটা দুর্ভোগে পড়েন। তাই ডিপো থেকে ১২ হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করে সরকারি মূল্যে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। এতে প্রায় ১ হাজার ২শ কৃষক উপকৃত হবেন। এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা বলেন, পাম্পে গিয়ে নিয়মিত তেল না পাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এখন সরাসরি তেল পেয়ে সেচ কার্যক্রম চালানো সহজ হচ্ছে। শিরুয়াইল ইউনিয়নে মজিবর সরদার নামক এক কৃষক বলেন, বোরো মৌসুমে তেল ছাড়া কিছুই করা যায় না। আজ ১০ লিটার ডিজেল পেয়ে অনেকটা স্বস্তি লাগছে। এমন উদ্যোগ থাকলে আমরা ভালোভা

ন্যায্য মূল্যে ১২ হাজার লিটার ডিজেল পেলেন কৃষকরা

কৃষকের দুশ্চিন্তা রোধ করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার প্রশাসন। উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের জ্বালানি তেল নিশ্চিত করতে ন্যায্য মূল্যে বিশেষ ডিজেল বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. ইবনে মিজান। এ সময় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ১০ লিটার করে ডিজেল বিক্রি করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে সেচকাজের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভরতা বেশি থাকায় কৃষকরা কিছুটা দুর্ভোগে পড়েন। তাই ডিপো থেকে ১২ হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করে সরকারি মূল্যে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। এতে প্রায় ১ হাজার ২শ কৃষক উপকৃত হবেন।

এ উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা বলেন, পাম্পে গিয়ে নিয়মিত তেল না পাওয়ায় চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এখন সরাসরি তেল পেয়ে সেচ কার্যক্রম চালানো সহজ হচ্ছে।

শিরুয়াইল ইউনিয়নে মজিবর সরদার নামক এক কৃষক বলেন, বোরো মৌসুমে তেল ছাড়া কিছুই করা যায় না। আজ ১০ লিটার ডিজেল পেয়ে অনেকটা স্বস্তি লাগছে। এমন উদ্যোগ থাকলে আমরা ভালোভাবে চাষ করতে পারবো।

জালাল হাওলাদার নামের আরেক কৃষক বলেন, আমাদের মতো গরিব কৃষকের জন্য এই উদ্যোগটা অনেক বড় সহায়তা। আগে পাম্পে গিয়ে অনেক সময় খালি হাতে ফিরতে হতো। এখন সরাসরি তেল পেয়ে চাষাবাদের সরঞ্জাম চালাতে সুবিধা হবে।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. ইবনে মিজান বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য কৃষক তেল সংগ্রহের প্রত্যয়ন নিতে আমাদের কাছে আসেন। কিন্তু পেট্রোল পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় তারা কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছিলেন না। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে সরাসরি ডিপো থেকে ডিজেল এনে সরকারি মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রয় করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকরা উপকৃত হবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow