নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নোয়াগ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেখ ও মোল্যা বংশের মধ্যে দীর্ঘদিনে ধরে বিরোধ চলছিল। শেখ বংশের নেতৃত্বে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান শেখ ও ইসরাইল শেখ এবং মোল্যা বংশের নেতৃত্বে আছেন খায়রুল মোল্যা। গত শনিবার ঈদের দিন মাংস ভাগাভাগি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এই বিরোধ নতুন করে আবারও চাঙ্গা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এ সময় শটগানের গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মোল্যা বংশের মাহাবুর মোল্যা (৪০), রমজান মোল্যা (৫৫), মিন্টু মোল্যা (৫২), নাহিদ মোল্যা (২১), টুটুল মোল্যা (৩০), শাহীদুল মোল্যা (৪৮), রাজা মোল্যা (৫০), বাঁধন মোল্যা (২৬), তামিম মোল্যা

নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নোয়াগ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেখ ও মোল্যা বংশের মধ্যে দীর্ঘদিনে ধরে বিরোধ চলছিল। শেখ বংশের নেতৃত্বে রয়েছেন মাহবুবুর রহমান শেখ ও ইসরাইল শেখ এবং মোল্যা বংশের নেতৃত্বে আছেন খায়রুল মোল্যা। গত শনিবার ঈদের দিন মাংস ভাগাভাগি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এই বিরোধ নতুন করে আবারও চাঙ্গা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এ সময় শটগানের গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে মোল্যা বংশের মাহাবুর মোল্যা (৪০), রমজান মোল্যা (৫৫), মিন্টু মোল্যা (৫২), নাহিদ মোল্যা (২১), টুটুল মোল্যা (৩০), শাহীদুল মোল্যা (৪৮), রাজা মোল্যা (৫০), বাঁধন মোল্যা (২৬), তামিম মোল্যা (১৯), সুমন মোল্যা (২৮) এবং শেখ বংশের আজানুর শেখসহ (১৮) উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নড়াইল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অলোক কুমার বাগচী বলেন, আহতদের মধ্যে ১৪ জন জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের শরীরে ছররা গুলির অংশ পাওয়া গেছে।বর্তমানে প্রত্যেকেই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

নড়াইল জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলমান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow