নড়াইলে নকল শিশু খাদ্য কারখানায় অভিযান, মালিককে জেল-জরিমানা

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য, জুস ও কোমল পানীয় তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদন্ডপ্রাপ্ত কারখানার মারিকের নাম মো. শামীম মোল্লা। তিনি কুলশুর গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস এ জেল-জরিমানা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে এক ব্যক্তির অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য, জুস ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিএসটিআই, উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পাই। কারখানাটিতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ছাড়াই নকল শিশুখাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল। এ সময় বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশুখাদ্য ও উৎপাদনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত পণ্য ও সরঞ্

নড়াইলে নকল শিশু খাদ্য কারখানায় অভিযান, মালিককে জেল-জরিমানা

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য, জুস ও কোমল পানীয় তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদন্ডপ্রাপ্ত কারখানার মারিকের নাম মো. শামীম মোল্লা। তিনি কুলশুর গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস এ জেল-জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে এক ব্যক্তির অনুমোদনহীন ও নকল শিশু খাদ্য, জুস ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিএসটিআই, উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পাই। কারখানাটিতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ছাড়াই নকল শিশুখাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল।

এ সময় বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশুখাদ্য ও উৎপাদনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত পণ্য ও সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়। এছাড়া কারখানার মালিক কোনো ধরনের লাইসেন্স বা অনুমোদনপত্র দেখাতে পারেন নাই। কারখানার মালিক লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কোনো আবেদনও করেননি। ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮-এর ৪১ ধারায় কারখানার মালিক শামীম মোল্লাকে তিন মাসের বিনাশ্রম মানদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow