নড়াইলে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদন্ড

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার রামনগর গ্রামে মাদক সেবনের সময় এক যুবককে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদÐ ও ১০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দÐপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম দ্বীন মন্ডল। তিনি পৌরসভার রামনগর গ্রামের কার্তিক মন্ডলের ছেলে। গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে কালিয়া পৌরসভার রামনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম এ জেল-জরিমানা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাতে দ্বীন মন্ডলের বাবার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাঁজা সেবনের সময় দ্বীন মন্ডলকে আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী দ্বীন মন্ডলকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদÐ ও ১০০ টাকা জরিমানা করেন। এসময় জব্দকৃত আলামত ধ্বংস করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, “দ্বীন মন্ডলের মা-বাবার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন দ্বীন মন্ডল। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে দ্বীন মন্ডল তা

নড়াইলে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদন্ড

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার রামনগর গ্রামে মাদক সেবনের সময় এক যুবককে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদÐ ও ১০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দÐপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম দ্বীন মন্ডল। তিনি পৌরসভার রামনগর গ্রামের কার্তিক মন্ডলের ছেলে। গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে কালিয়া পৌরসভার রামনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম এ জেল-জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাতে দ্বীন মন্ডলের বাবার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাঁজা সেবনের সময় দ্বীন মন্ডলকে আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী দ্বীন মন্ডলকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদÐ ও ১০০ টাকা জরিমানা করেন। এসময় জব্দকৃত আলামত ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, “দ্বীন মন্ডলের মা-বাবার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মাদকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন দ্বীন মন্ডল। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে দ্বীন মন্ডল তার মা-বাবার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। এমনকি বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি করেও তিনি মাদকের অর্থ সংগ্রহ করতেন। এতে তার পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। মাদক সেবনের ফলে একটি পরিবার কীভাবে ধ্বংস হয়ে যায়, এই পরিবারের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। আমরা আশা করছি এবং তার মা-বাবাও আশা করছেন, জেল থেকে বেরিয়ে সে সংশোধন হয়ে ফিরে আসবে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow