পঞ্চগড়ে চিকিৎসককে মারধর, রংপুর থেকে আটক ২
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন বেলাল হোসেন (৪০) ও তার ছেলে নয়ন (২৫)। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রংপুর মেডিক্যাল কলেজেের সামনে থেকে তাদের দুজনকে আটক করে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ আটক করেন। শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম। এর আগে ১৭ এপ্রিল মারধরের ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কতৃপক্ষ বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে জিমি আক্তার (১৮) নামে এক রোগীর চিকিৎসা নিয়ে বিরোধের জেরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত জরুরি মেডিকেল অফিসার ডা. সঞ্জয় কুমার রায়ের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযুক্ত বেলাল হোসেন ও তার ছেলে নয়ন ওই দিন দুই দফায় চিকিৎসককে মারধর ও গালিগালাজ করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, জরুরি বিভাগে বসে রোগীর ব্যবস্থাপত্র লিখছিলেন ডা. সঞ্জয় কুমার রায়। এ সময় পেছনের দ
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন বেলাল হোসেন (৪০) ও তার ছেলে নয়ন (২৫)।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রংপুর মেডিক্যাল কলেজেের সামনে থেকে তাদের দুজনকে আটক করে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ আটক করেন। শনিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম।
এর আগে ১৭ এপ্রিল মারধরের ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কতৃপক্ষ বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে জিমি আক্তার (১৮) নামে এক রোগীর চিকিৎসা নিয়ে বিরোধের জেরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত জরুরি মেডিকেল অফিসার ডা. সঞ্জয় কুমার রায়ের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযুক্ত বেলাল হোসেন ও তার ছেলে নয়ন ওই দিন দুই দফায় চিকিৎসককে মারধর ও গালিগালাজ করেন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, জরুরি বিভাগে বসে রোগীর ব্যবস্থাপত্র লিখছিলেন ডা. সঞ্জয় কুমার রায়। এ সময় পেছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে দুই ব্যক্তি তাকে আক্রমণ করে এবং একাধিকবার মারধর করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকালে রংপুর থেকে অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ঝিটকিখুরা এলাকার আরাফাত ইসলামের স্ত্রী জিমি আক্তার টয়লেট ক্লিনার পান করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনার দুই দিন পর চিকিৎসা নিয়ে অসন্তোষ থেকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আটক দুইজনকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
What's Your Reaction?