পঞ্চগড়ে ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ইয়োগা রান আপ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ইয়োগা তথা যোগ ব্যায়াম দিবসকে সামনে রেখে ভারতীয় হাই কমিশন ও পঞ্চগড় জেলা পরিষদের আয়োজনে রানআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে এই রানআপ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পঞ্চগড় ইয়োগা ক্লাবের সদস্যরা ইয়োগার কলাকৌশল প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘ইয়োগার মাধ্যমে শারীরিক নানা রোগবালাই থেকে দূরে থাকা যায়। সুস্থ-সুন্দর জীবন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য আমরা নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছি।’ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার বলেন, ‘করপোরেট জগতে, হাসপাতালে, এমনকি আমেরিকা ও ইউরোপেও যোগ ব্যায়ামকে গ্রহণ করা হয়েছে। বহু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে, তাদের প্রশিক্ষণ সেশনের অংশ হিসেবে, তাদের স্বাস্থ্য চিকিৎসার অংশ হিসেবে যোগ ব্যায়ামকে গ্রহণ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যোগ কর্মসূচি ও যোগ উদযাপনের মতো উদ্যোগগুলো পারস্পরিক বোঝাপড়া, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি এবং সম্মিলিত কল্যাণের প্রসারের মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে। আমি

পঞ্চগড়ে ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে ইয়োগা রান আপ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ইয়োগা তথা যোগ ব্যায়াম দিবসকে সামনে রেখে ভারতীয় হাই কমিশন ও পঞ্চগড় জেলা পরিষদের আয়োজনে রানআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে এই রানআপ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পঞ্চগড় ইয়োগা ক্লাবের সদস্যরা ইয়োগার কলাকৌশল প্রদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘ইয়োগার মাধ্যমে শারীরিক নানা রোগবালাই থেকে দূরে থাকা যায়। সুস্থ-সুন্দর জীবন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য আমরা নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছি।’

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার বলেন, ‘করপোরেট জগতে, হাসপাতালে, এমনকি আমেরিকা ও ইউরোপেও যোগ ব্যায়ামকে গ্রহণ করা হয়েছে। বহু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে, তাদের প্রশিক্ষণ সেশনের অংশ হিসেবে, তাদের স্বাস্থ্য চিকিৎসার অংশ হিসেবে যোগ ব্যায়ামকে গ্রহণ করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যোগ কর্মসূচি ও যোগ উদযাপনের মতো উদ্যোগগুলো পারস্পরিক বোঝাপড়া, সাংস্কৃতিক উপলব্ধি এবং সম্মিলিত কল্যাণের প্রসারের মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে। আমি আশ্বাস দিতে পারি যে, ভারত ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের কল্যাণ, শান্তি ও পারস্পরিক অগ্রগতির জন্য আমরা সম্ভাব্য সবকিছু করব।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow