পতিত জমিতে হলুদ চাষে সফল শ্যামল, দেড় লাখ টাকা লাভের আশা

বরিশালের গৌরনদীতে পতিত জমিতে কম পুঁজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা গ্রামের তরুণ শ্যামল খলিফা জানান, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পতিত জমিতে চাষ করেন। এই জমিতে প্রায় ১০০ মণ ফলন হয়েছে। চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে আশা করছেন। শ্যামল খলিফা বলেন, ‌‘যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকেন, তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষির মাঝে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এ জন্য স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চাই।’ আরও পড়ুনজয়পুরহাটে স্ট্রবেরি চাষে কৃষকের বিঘায় লাভ আড়াই লাখ  এলাকার একাধিক কৃষক জানিয়েছেন, পতিত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায়, তা কৃষক শ্যামল খলিফা তাদের শিখিয়েছেন। তারাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চান। গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার

পতিত জমিতে হলুদ চাষে সফল শ্যামল, দেড় লাখ টাকা লাভের আশা

বরিশালের গৌরনদীতে পতিত জমিতে কম পুঁজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা গ্রামের তরুণ শ্যামল খলিফা জানান, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পতিত জমিতে চাষ করেন। এই জমিতে প্রায় ১০০ মণ ফলন হয়েছে। চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।

শ্যামল খলিফা বলেন, ‌‘যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকেন, তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষির মাঝে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এ জন্য স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চাই।’

holud

এলাকার একাধিক কৃষক জানিয়েছেন, পতিত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায়, তা কৃষক শ্যামল খলিফা তাদের শিখিয়েছেন। তারাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চান।

গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার শেখ বলেন, ‘আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে আসছেন। যে কারণে নতুন নতুন চাষের প্রতি কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন।’

শ্যামল খলিফাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি অন্য কেউ হলুদ চাষ করতে চান, তাদেরও সহায়তা দেওয়া হবে।’

শাওন খান/এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow