পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে ফেরাতেই চরমোনাই মাহফিল: পীর সাহেব

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, চরমোনাই মাহফিল দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে নয় বরং পথভোলা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এখানে দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আসার প্রয়োজন নেই। যদি এমন কেউ এসে থাকেন, তবে নিয়ত পরিবর্তন করে আত্মশুদ্ধির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। বুধবার (১ এপ্রিল) বাদ জোহর চরমোনাই মাদরাসার মূল মাঠসহ চারটি মাঠ নিয়ে অনুষ্ঠিত চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিলের উদ্বোধনী বয়ানে চরমোনাই পীর আরও বলেছেন-যারা চরমোনাইয়ে নতুন এসেছেন, তারা দুনিয়ার ধ্যান-খেয়াল বিদায় করে দিয়ে আখেরাতের খেয়াল-ধ্যান অন্তরে জায়গা দেন। দিল থেকে বড়ত্ব এবং আমিত্ব ভাব বের করে দিয়ে আল্লাহর কুদরতি পায়ে নিজেকে বিলীন করে দিতে হবে। সদা-সর্বদা আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে দিলকে তরতাজা রেখে আল্লাহর ওলি হয়ে চরমোনাই থেকে বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। এর আগে সকাল আটটা থেকে মাহফিলে আগত মুসল্লিদের হাতে-কলমে সালাত ও ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়তুল্লাহ জানিয়েছেন, মাহফিলে আগত মুসল্লিদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ১০০ শয্যার অস্থায়ী মাহফিল হাসপাতাল স্থাপন করা হয়

পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে ফেরাতেই চরমোনাই মাহফিল: পীর সাহেব

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, চরমোনাই মাহফিল দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে নয় বরং পথভোলা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এখানে দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আসার প্রয়োজন নেই। যদি এমন কেউ এসে থাকেন, তবে নিয়ত পরিবর্তন করে আত্মশুদ্ধির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।

বুধবার (১ এপ্রিল) বাদ জোহর চরমোনাই মাদরাসার মূল মাঠসহ চারটি মাঠ নিয়ে অনুষ্ঠিত চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিলের উদ্বোধনী বয়ানে চরমোনাই পীর আরও বলেছেন-যারা চরমোনাইয়ে নতুন এসেছেন, তারা দুনিয়ার ধ্যান-খেয়াল বিদায় করে দিয়ে আখেরাতের খেয়াল-ধ্যান অন্তরে জায়গা দেন। দিল থেকে বড়ত্ব এবং আমিত্ব ভাব বের করে দিয়ে আল্লাহর কুদরতি পায়ে নিজেকে বিলীন করে দিতে হবে। সদা-সর্বদা আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে দিলকে তরতাজা রেখে আল্লাহর ওলি হয়ে চরমোনাই থেকে বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। এর আগে সকাল আটটা থেকে মাহফিলে আগত মুসল্লিদের হাতে-কলমে সালাত ও ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়তুল্লাহ জানিয়েছেন, মাহফিলে আগত মুসল্লিদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ১০০ শয্যার অস্থায়ী মাহফিল হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে। এতে ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে আরও ৪০ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে চিকিৎসা সেবা পরিচালিত হচ্ছে। ১০টি অ্যাম্বুলেন্স ও দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স মাহফিল হাসপাতালে কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে।

মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়া রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে মাহফিল হাসপাতালে পৌঁছানোর জন্য নিযুক্ত রয়েছে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী।

সারাদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য মাঠের চারদিকে সুপেয় নিরাপদ পানির ব্যবস্থাসহ রয়েছে সহস্রাধিক মানসম্মত টয়লেট, ওজু এবং গোসলের ব্যবস্থাপনা। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে চরমোনাই পীরের আখেরি বয়ানের মধ্যদিয়ে তিন দিনব্যাপী এ মাহফিলের কার্যক্রম শেষ হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow