পথে কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে কী করবেন
সাধারণত আমাদের সতর্ক করা হয় যে - অতিরিক্ত গরমে হঠাৎ শরীর খারাপ লাগলে কী করা উচিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আক্রান্ত ব্যক্তির সতর্কতা যতটা দরকার, কখনো কখনো তার আশেপাশের মানুষের সতর্কতা আরও বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ে। হিট স্ট্রোকের সময় আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে থাকা মানুষটি বা আশেপাশের কেউ যদি সঠিক ভাবে জানেন যে কী করতে হবে, তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রচণ্ড গরমে হঠাৎ রাস্তায় কেউ মাথা ঘুরে বসে পড়লেন, কারও শরীর অস্বাভাবিক গরম, কেউ আবার অচেতন হয়ে যাচ্ছেন - এগুলো হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এটি জীবনঝুঁকির কারণও হতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা জেনে নিন - ১. হিট স্ট্রোক মূলত তখনই হয়, যখন শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায় এবং শরীর আর নিজে থেকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্কসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে রোদ থেকে সরিয়ে ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যান। সম্ভব হলে খোলা বাতাসে বা ফ্যানের নিচে রাখুন। শরীরের তাপ কমানোই এখানে সবচেয়ে জরুরি কাজ। ২. এরপর অতিরিক্ত কাপড় সরিয়ে দিন বা ঢিলেঢালা করে
সাধারণত আমাদের সতর্ক করা হয় যে - অতিরিক্ত গরমে হঠাৎ শরীর খারাপ লাগলে কী করা উচিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আক্রান্ত ব্যক্তির সতর্কতা যতটা দরকার, কখনো কখনো তার আশেপাশের মানুষের সতর্কতা আরও বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
হিট স্ট্রোকের সময় আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে থাকা মানুষটি বা আশেপাশের কেউ যদি সঠিক ভাবে জানেন যে কী করতে হবে, তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
প্রচণ্ড গরমে হঠাৎ রাস্তায় কেউ মাথা ঘুরে বসে পড়লেন, কারও শরীর অস্বাভাবিক গরম, কেউ আবার অচেতন হয়ে যাচ্ছেন - এগুলো হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এটি জীবনঝুঁকির কারণও হতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা জেনে নিন -
১. হিট স্ট্রোক মূলত তখনই হয়, যখন শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায় এবং শরীর আর নিজে থেকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্কসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তাই প্রথমেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে রোদ থেকে সরিয়ে ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যান। সম্ভব হলে খোলা বাতাসে বা ফ্যানের নিচে রাখুন। শরীরের তাপ কমানোই এখানে সবচেয়ে জরুরি কাজ।
২. এরপর অতিরিক্ত কাপড় সরিয়ে দিন বা ঢিলেঢালা করে দিন। এতে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হতে সাহায্য করে।
৩. শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করুন। ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিন, বিশেষ করে কপাল, ঘাড়, বগল ও কুঁচকির মতো জায়গায়। এসব স্থানে ঠান্ডা পানি দিলে দ্রুত তাপমাত্রা কমে।
৪. যদি ব্যক্তি সচেতন থাকেন, তাহলে অল্প অল্প করে পানি বা স্যালাইন খাওয়ান। তবে অচেতন বা আধা-অচেতন অবস্থায় কখনোই মুখে কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবেন না, এতে শ্বাসনালীতে ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৫. ঠান্ডা পানি ছিটানো বা বাতাস করাও শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সম্ভব হলে বরফ বা ঠান্ডা পানির বোতল কাপড়ে মুড়ে গায়ে ধরে রাখা যেতে পারে।
৬. তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা। অবস্থার উন্নতি না হলে বা ব্যক্তি অচেতন থাকলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া উচিত।
হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে
>> উচ্চ তাপমাত্রা
>> ত্বক খুব গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া
>> মাথা ঘোরা
>> বিভ্রান্তি
>> বমি ভাব বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
এসব লক্ষণ দেখলেই দেরি না করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
গরমের দিনে সচেতনতা এবং দ্রুত সঠিক পদক্ষেপই পারে একটি জীবন বাঁচাতে। তাই নিজের পাশাপাশি আশপাশের মানুষের দিকেও খেয়াল রাখুন।
সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, মায়ো ক্লিনিক, রেড ক্রস
এএমপি/এএসএম
What's Your Reaction?