পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন কে? বাশারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিসিবি
গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচকের পদটি এখন পরিবর্তনের অপেক্ষায়। শূন্য হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে অভিজ্ঞ হাবিবুল বাশার সুমনকে ফিরিয়ে আনতে চায় বিসিবি। তবে বোর্ড থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হলেও এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি সুমন; বরং নিজের বর্তমান ব্যস্ততা গুছিয়ে নিতে এক সপ্তাহের সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। ফলে পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হিসেবে তার প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি এখন ঝুলে আছে। নির্বাচক প্যানেলের প্রধান হওয়ার প্রস্তাব পেলেও হাবিবুল বাশার বর্তমানে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ও চলমান বিভিন্ন টুর্নামেন্ট নিয়ে নিজের ব্যস্ততাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সিদ্ধান্তের জন্য সময় নেওয়ার বিষয়ে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে এখন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। আলাপ-আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আপাতত অন্য কাজে ব্যস্ত আছি। সপ্তাহখানেক পর এটা নিয়ে বলতে পারব। আমি সময় নিয়েছি, কারণ আমার তো একটা চলমান (এক্সিস্টিং) কাজ চলতেছে, ওটা নিয়ে আমি ব্যস্ত আছি। বিসিবি টুর্নামেন্ট চলছে, তো ওটা শেষ করে আলাপ করব।’ ২০১৬ থেকে টানা আট বছর নির্বাচক হিসেবে কাজ করা বাশারের অভিজ্ঞতাকেই এই ম
গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচকের পদটি এখন পরিবর্তনের অপেক্ষায়। শূন্য হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে অভিজ্ঞ হাবিবুল বাশার সুমনকে ফিরিয়ে আনতে চায় বিসিবি।
তবে বোর্ড থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হলেও এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি সুমন; বরং নিজের বর্তমান ব্যস্ততা গুছিয়ে নিতে এক সপ্তাহের সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। ফলে পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হিসেবে তার প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি এখন ঝুলে আছে।
নির্বাচক প্যানেলের প্রধান হওয়ার প্রস্তাব পেলেও হাবিবুল বাশার বর্তমানে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ও চলমান বিভিন্ন টুর্নামেন্ট নিয়ে নিজের ব্যস্ততাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সিদ্ধান্তের জন্য সময় নেওয়ার বিষয়ে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে এখন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। আলাপ-আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আপাতত অন্য কাজে ব্যস্ত আছি। সপ্তাহখানেক পর এটা নিয়ে বলতে পারব। আমি সময় নিয়েছি, কারণ আমার তো একটা চলমান (এক্সিস্টিং) কাজ চলতেছে, ওটা নিয়ে আমি ব্যস্ত আছি। বিসিবি টুর্নামেন্ট চলছে, তো ওটা শেষ করে আলাপ করব।’
২০১৬ থেকে টানা আট বছর নির্বাচক হিসেবে কাজ করা বাশারের অভিজ্ঞতাকেই এই মুহূর্তে সেরা সমাধান হিসেবে দেখছে বোর্ড।
অন্যদিকে, বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু যে আর দায়িত্বে থাকছেন না, তা এখন দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিসিবিকে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই পদে আর থাকতে আগ্রহী নন তিনি।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নেওয়া লিপুর এমন অনমনীয় অবস্থানের কারণেই বিসিবি বিকল্প হিসেবে বাশারের দিকে ঝুঁকেছে। এখন কেবল অপেক্ষা, সপ্তাহখানেক পর বাশার তার বর্তমান কাজ গুছিয়ে পুনরায় নির্বাচক প্যানেলে ফেরার গ্রিন সিগন্যাল দেন কি না।
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?