পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে নগরের কাজীর দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপহার তুলে দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিক সূত্র জানায়, এবার মোট তিন হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে মোট এক কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে নগরবাসীর জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন। তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া ঈদ উপহার কর্মীদের মনোবল বাড়াবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিষ্কার শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মেয়র জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে আবাসন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে এক হাজার ৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে প্রায় ৬০০

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে নগরের কাজীর দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপহার তুলে দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চসিক সূত্র জানায়, এবার মোট তিন হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে মোট এক কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে নগরবাসীর জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন। তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া ঈদ উপহার কর্মীদের মনোবল বাড়াবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিষ্কার শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মেয়র জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে আবাসন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে এক হাজার ৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে প্রায় ৬০০ বর্গফুট।

বর্ষাকালে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের সুবিধার্থে রেইনকোট দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মেয়র বলেন, চসিক বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে রিসাইক্লিং, বায়োগ্যাস, গ্রিন ডিজেল ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি নগরবাসীকে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ চসিকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow