পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন হোটেলে আগুন, নিহত ৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। অহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে জেলার তারাপীঠ থানা সংলগ্ন তীর্থস্থান তারাপীঠের একটি বেসরকারি হোটেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বীরভূম জেলার তীর্থস্থান তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন হোটেলটির নিচতলায় হওয়া আকস্মিক অগ্নিকাণ্ড মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে অনেকেই অবস্থান করছিল। এসব মানুষ মুলত তারাপীঠ মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন। আগুন লাগার পর তারাপীঠ থানা এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট এবং পরে আরও তিনটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হোটেলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ৮ জনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। আগুনে আহত মুনমুন মন্ডল বলেন, তারাপীঠ মন্দির পুজো দিতে পরিবার নিয়ে এই হোটেলে উঠেছিলাম। সঙ্গে ছিল মা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, দুই সন্তান এবং বাড়ির পরিবচারকও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আগুন লাগা অবস্থায়ই দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ মাকে হোটেলের

পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন হোটেলে আগুন, নিহত ৮

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। অহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে জেলার তারাপীঠ থানা সংলগ্ন তীর্থস্থান তারাপীঠের একটি বেসরকারি হোটেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বীরভূম জেলার তীর্থস্থান তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন হোটেলটির নিচতলায় হওয়া আকস্মিক অগ্নিকাণ্ড মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে অনেকেই অবস্থান করছিল। এসব মানুষ মুলত তারাপীঠ মন্দিরে পূজা দিতে এসেছিলেন।

আগুন লাগার পর তারাপীঠ থানা এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট এবং পরে আরও তিনটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হোটেলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ৮ জনকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

আগুনে আহত মুনমুন মন্ডল বলেন, তারাপীঠ মন্দির পুজো দিতে পরিবার নিয়ে এই হোটেলে উঠেছিলাম। সঙ্গে ছিল মা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, দুই সন্তান এবং বাড়ির পরিবচারকও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আগুন লাগা অবস্থায়ই দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ মাকে হোটেলের নিচে নামিয়ে নিয়ে আসি। তবে, পরিবারের বাকি সদস্যদের এখনও কোনো খোঁজ পাচ্ছিনা।

বীরভূম জেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ নিলেশ শ্রীকান্ত গায়কর বলেন, যত জনকে এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে সবাইকেই রামপুরহাট হসপিটালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ১২ থেকে ১৩ জন ভর্তি রয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

ডিডি/এমআরএইস/কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow