পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে সব মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ

আর মাত্র দুইদিন তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। এবারের নির্বাচন হবে দুই ধাপে। প্রথম দফায় আগামী ২৩ এপ্রিল ১৫২টি আসনে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের আগে রাজ্যের মদ বিক্রিতে রাশ টানতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। হোটেল-রেস্তোরা-বার এমনকি নাইট ক্লাবেও মদ বিক্রি, পরিবেশন ও সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের কারণেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাতীয় কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটপর্বের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে রাজ্যের মদের দোকান বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বন্ধ থাকবে। রাজ্যে ভোট ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, গণনা হবে ৪ মে। প্রতিটি দফার আগে অন্তত ৪৮ ঘন্টা সম্পূর্ণ মদ বিক্রি নিষিদ্ধ। এছাড়াও জাতীয় নির্বাচন কমিশন মোটর বাইক চালানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ভোটের সময়কালে মোটর বাইকের দৌরাত্ম কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুধু গণমাধ্যম কর্মীদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছেন, উপরোক্ত সময়কালে ব্যক্তি কর্তৃক মদ মজুত করা সীমিত করা হবে এবং লাইসেন্সবিহীন স্থানে মদ মজুতের বিষয়ে আবগারি আইনি প্রদত্ত বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে প্রয়োগ করা হ

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে সব মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ

আর মাত্র দুইদিন তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। এবারের নির্বাচন হবে দুই ধাপে। প্রথম দফায় আগামী ২৩ এপ্রিল ১৫২টি আসনে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের আগে রাজ্যের মদ বিক্রিতে রাশ টানতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। হোটেল-রেস্তোরা-বার এমনকি নাইট ক্লাবেও মদ বিক্রি, পরিবেশন ও সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের কারণেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

জাতীয় কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটপর্বের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে রাজ্যের মদের দোকান বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বন্ধ থাকবে। রাজ্যে ভোট ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, গণনা হবে ৪ মে। প্রতিটি দফার আগে অন্তত ৪৮ ঘন্টা সম্পূর্ণ মদ বিক্রি নিষিদ্ধ।

এছাড়াও জাতীয় নির্বাচন কমিশন মোটর বাইক চালানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ভোটের সময়কালে মোটর বাইকের দৌরাত্ম কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুধু গণমাধ্যম কর্মীদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছেন, উপরোক্ত সময়কালে ব্যক্তি কর্তৃক মদ মজুত করা সীমিত করা হবে এবং লাইসেন্সবিহীন স্থানে মদ মজুতের বিষয়ে আবগারি আইনি প্রদত্ত বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে প্রয়োগ করা হবে।

এই নির্দেশিকা জারি করার কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নির্বাচনের সময় প্রলোভন হিসেবে মদ ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

নির্দেশিকা অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

ডিডি/টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow