পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নতুন স্পিকার রথীন্দ্র বোস
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ১৮তম অধিবেশনের স্পিকার হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বোস।
শুক্রবার (১৪ মে) বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রথীন্দ্র বোসের নাম স্পিকার পদে প্রস্তাব করেন। পরে প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। বিজেপির ২০৭ জন বিধায়ক তার পক্ষে সমর্থন জানান। খবর হিন্দুস্থান টাইমসের।
রথীন্দ্র বোসকে বৃহস্পতিবার স্পিকার পদে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিজেপি। অন্যদিকে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কোনো প্রার্থী না দেওয়ায় তার নির্বাচনে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ সদস্যের পরিষদে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ফলে রথীন্দ্র বোসের স্পিকার হওয়া ছিল অনেকটাই নিশ্চিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতেই বিজেপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত এক দশকে অঞ্চলটি দলটির অন্যতম শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত রথীন্দ্র বোস পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং উত্তরবঙ্গের পরিচিত রাজনৈ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ১৮তম অধিবেশনের স্পিকার হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বোস।
শুক্রবার (১৪ মে) বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রথীন্দ্র বোসের নাম স্পিকার পদে প্রস্তাব করেন। পরে প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। বিজেপির ২০৭ জন বিধায়ক তার পক্ষে সমর্থন জানান। খবর হিন্দুস্থান টাইমসের।
রথীন্দ্র বোসকে বৃহস্পতিবার স্পিকার পদে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিজেপি। অন্যদিকে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কোনো প্রার্থী না দেওয়ায় তার নির্বাচনে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ সদস্যের পরিষদে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ফলে রথীন্দ্র বোসের স্পিকার হওয়া ছিল অনেকটাই নিশ্চিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতেই বিজেপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত এক দশকে অঞ্চলটি দলটির অন্যতম শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত রথীন্দ্র বোস পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং উত্তরবঙ্গের পরিচিত রাজনৈতিক মুখ।
এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। বামফ্রন্ট সরকারের সময় সৈয়দ আবদুল মনসুর হাবিবুল্লাহ ও হাশিম আবদুল হালিমও এই পদে ছিলেন।
স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় বক্তব্য দেন। বিরোধীদলীয় নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নতুন স্পিকারকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং নির্বাচনের পর সহিংসতার অভিযোগও উত্থাপন করেন।