পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণে নতুন সুযোগ দিচ্ছে ইউএস-বাংলা
ধন-সম্পদ থাকা মানেই স্বপ্ন পূরণ হয় না; পাইলট হওয়ার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা ছাড়াও আর্থিক সক্ষমতা। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পাইলট হওয়ার স্বপ্নের পথে আর্থিক সীমাবদ্ধতা বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশের বিমান পরিবহন শিল্পে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার মধ্যে পাইলট সংকট তৈরি হচ্ছে প্রায় সব আন্তর্জাতিক বিমানসংস্থায়। এই সংকট উত্তরণের জন্য ইউএস-বাংলা মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পাইলট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দুইটি ড্যাশ-৮-কিউ৪০০ নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলার বিমান বহরে বর্তমানে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সহ মোট ২৫টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। শিগগিরই আরও চারটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ ও এটিআর ৭২-৬০০ যুক্ত হবে। নতুন বিমান সংযোজন ও নতুন রুট সম্প্রসারণের ফলে অতিরিক্ত পাইলটের প্রয়োজন দেখা দেয়। এই চাহিদা পূরণের জন্য ইউএস-বাংলা গত ৩ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফ্লাইং একাডেমিতে ক্যাডেট পাইলট ত
ধন-সম্পদ থাকা মানেই স্বপ্ন পূরণ হয় না; পাইলট হওয়ার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা ছাড়াও আর্থিক সক্ষমতা। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পাইলট হওয়ার স্বপ্নের পথে আর্থিক সীমাবদ্ধতা বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশের বিমান পরিবহন শিল্পে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার মধ্যে পাইলট সংকট তৈরি হচ্ছে প্রায় সব আন্তর্জাতিক বিমানসংস্থায়। এই সংকট উত্তরণের জন্য ইউএস-বাংলা মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পাইলট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দুইটি ড্যাশ-৮-কিউ৪০০ নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলার বিমান বহরে বর্তমানে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সহ মোট ২৫টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। শিগগিরই আরও চারটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ ও এটিআর ৭২-৬০০ যুক্ত হবে। নতুন বিমান সংযোজন ও নতুন রুট সম্প্রসারণের ফলে অতিরিক্ত পাইলটের প্রয়োজন দেখা দেয়। এই চাহিদা পূরণের জন্য ইউএস-বাংলা গত ৩ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফ্লাইং একাডেমিতে ক্যাডেট পাইলট তৈরির জন্য বাছাই ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সফলভাবে ফ্লাইট ট্রেনিং শেষ করলে শিক্ষার্থীরা ফার্স্ট অফিসার হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে যোগ দেবেন। এটি একজন পাইলটের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং এভিয়েশনে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বড় সুযোগ হিসেবে গণ্য হবে।
যে সব মেধাবী শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে ইংরেজি বিষয়ে জিপিএ ৪সহ ন্যূনতম জিপিএ ৫ প্রাপ্ত হবেন এবং পদার্থ বিজ্ঞান, সাধারণ গনিত ও উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে দুটি বিষয়ে জিপিএ ৫ এবং অন্যটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪ প্রাপ্ত হবেন অথবা ‘ও’ লেভেলে গনিত ও পদার্থ বিজ্ঞানসহ ন্যূনতম ৫ বিষয়ে গ্রেড-এ।
এইচএসসিতে ইংরেজি বিষয়ে জিপিএ ৪সহ ন্যূনতম জিপিএ ৫ প্রাপ্ত হবেন এবং পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে কমপক্ষে একটি বিষয়ে জিপিএ ৫ এবং অন্যটিতে নূন্যতম জিপিএ ৪ প্রাপ্ত হবেন অথবা ‘এ’ লেভেলে গনিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে গ্রেড-বি পেয়েছেন শুধুমাত্র সেসব শিক্ষার্থীরাই আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। স্নাতক পাশ অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবেন। ইংরেজিতে সব আবেদনকারীকে দক্ষ হতে হবে।
ক্যাডেট পাইলটদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে আইকিউ টেস্ট, লিখিত পরীক্ষা (ইংরেজি, গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞান), পাইলট যোগ্যতা পরীক্ষা, সাইকোমেট্রিক, মেডিকেল ও মৌখিক পরীক্ষা। সব টেস্টে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে নির্বাচিতদের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ফ্লাইং অ্যাকাডেমিতে ফ্লাইট ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। নির্দিষ্ট মেয়াদি প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সম্পন্নের পর উত্তীর্ণ ক্যাডেট পাইলটরা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ফার্স্ট অফিসার হিসেবে যোগদান করতে পারবেন।
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশি হতে হবে এবং অন্য কোনো দেশের নাগরিক হতে পারবে না। আবেদনের সময় বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ২৫ বছর। উচ্চতা – ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৬৮ সেমি এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬৪ সেমি হতে হবে। প্রার্থীর ওজন হতে হবে বিএমআই-এর উচ্চতার আনুপাতিক হারে। দৃষ্টিশক্তি হতে হবে ৬/৬। অধুমপায়ী ও নন-অ্যালকোহলিক হতে হবে। যেকোনো ধরনের অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। কোনো তদবির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইট www.usbair.com -এর ক্যারিয়ার পেজে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যাবে আগামী ১১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।