পাকিস্তানিদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে আরব আমিরাত

মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বহু পাকিস্তানি শিয়াকে বহিষ্কার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। চাকরি হারানোর পাশাপাশি তারা নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ও ব্যক্তিগত মালপত্র থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৫ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি পাকিস্তানে শতাধিক শিয়া মুসলিম ফিরে এসেছেন আমিরাত থেকে। তাদের অনেকেই বছরের পর বছর আমিরাত কাজ করলেও হঠাৎ করেই আটক, জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরে বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। পাকিস্তানের শিয়া রাজনৈতিক সংগঠন মজলিশ ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিনের তৈরি একটি তালিকায় দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে প্রায় সাত হাজার ৫০০ পাকিস্তানি শিয়াকে আমিরাত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র মহসিন আবিদি দাবি করেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন লঙ্ঘনের কারণেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে

পাকিস্তানিদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে আরব আমিরাত

মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বহু পাকিস্তানি শিয়াকে বহিষ্কার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। চাকরি হারানোর পাশাপাশি তারা নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ও ব্যক্তিগত মালপত্র থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৫ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি পাকিস্তানে শতাধিক শিয়া মুসলিম ফিরে এসেছেন আমিরাত থেকে। তাদের অনেকেই বছরের পর বছর আমিরাত কাজ করলেও হঠাৎ করেই আটক, জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরে বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের শিয়া রাজনৈতিক সংগঠন মজলিশ ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিনের তৈরি একটি তালিকায় দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে প্রায় সাত হাজার ৫০০ পাকিস্তানি শিয়াকে আমিরাত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র মহসিন আবিদি দাবি করেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন লঙ্ঘনের কারণেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি নিয়ে সরকার নীরবে পর্যালোচনা করছে এবং কূটনৈতিক কারণে প্রকাশ্যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ পাকিস্তানি আমিরাতে বসবাস ও কাজ করছেন। তাদের পাঠানো বছরে ৬০০ কোটির বেশি মার্কিন ডলার পাকিস্তানের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে বড় আকারে বহিষ্কারের ঘটনায় দেশটির অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow