পাকিস্তানে পুলিশের সঙ্গে ইমরান খানের সমর্থকদের সংঘর্ষ
করাচির নুমাইশ চৌরঙ্গিতে ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর একাধিক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বাগে-ই-জিন্নাহ এলাকায় দলটির জনসমাবেশের আগে সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সংঘর্ষের সময় এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে ৩০ জনের বেশি পিটিআই কর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর আটক কর্মীদের একটি বন্দিবাহী গাড়িতে তোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাগে-ই-জিন্নাহর কাছে বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশ গাড়ি থামিয়ে তাতে পাথর ছুড়ছে। পিটিআই কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একই সঙ্গে মাজার-ই-কায়েদ-এর ভিআইপি গেট এলাকায়ও উত্তেজনা ছড়ায়, যেখানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধস্তাধস্তির খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় যাদের শনাক্ত করা যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, সিন্ধু সরকার থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর আজ সন্ধ্যায় বাগে-ই-জিন্নাহতে শক্তি প্রদর্শনের কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে পিটিআই-এর। খাইবার পাখতুনখ
করাচির নুমাইশ চৌরঙ্গিতে ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর একাধিক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বাগে-ই-জিন্নাহ এলাকায় দলটির জনসমাবেশের আগে সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সংঘর্ষের সময় এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে ৩০ জনের বেশি পিটিআই কর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর আটক কর্মীদের একটি বন্দিবাহী গাড়িতে তোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাগে-ই-জিন্নাহর কাছে বিক্ষোভকারীরা একটি পুলিশ গাড়ি থামিয়ে তাতে পাথর ছুড়ছে।
পিটিআই কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একই সঙ্গে মাজার-ই-কায়েদ-এর ভিআইপি গেট এলাকায়ও উত্তেজনা ছড়ায়, যেখানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধস্তাধস্তির খবর পাওয়া গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় যাদের শনাক্ত করা যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, সিন্ধু সরকার থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর আজ সন্ধ্যায় বাগে-ই-জিন্নাহতে শক্তি প্রদর্শনের কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে পিটিআই-এর।
খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি তার চলমান তিন দিনের সিন্ধু সফরের সময় এই ঐতিহাসিক জনসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
শনিবার এক বিবৃতিতে সিন্ধুর তথ্যমন্ত্রী শারজিল ইনাম মেমন জানান, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে সমাবেশের জন্য এনওসি দেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পূর্ণ দায়িত্ব থাকবে আয়োজকদের ওপর।
তিনি আরও বলেন, দেশ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানবিরোধী বক্তব্য দেওয়া যাবে না এবং উসকানিমূলক ভাষা, আপত্তিকর উপকরণ বা সাম্প্রদায়িক মন্তব্য কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
ওই সময় খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী হায়দরাবাদ (পাকিস্তানের) সফরে ছিলেন এবং পরে করাচিতে ফেরার কথা ছিল। তিনি ৯ জানুয়ারি করাচিতে পৌঁছে তার তিন দিনের সফর শুরু করেন।
প্রদেশে প্রথম দুই দিন সফর নির্বিঘ্নে কাটলেও, আজ আগে এক ভিডিও বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী আফ্রিদি অভিযোগ করেন যে, হায়দরাবাদ থেকে করাচি ফেরার পথে প্রাদেশিক সরকার রাস্তা বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, হায়দরাবাদ থেকে করাচি ফেরার পথে ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের নির্জন রাস্তায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, পিটিআই-এর এক মুখপাত্র জানান, মুখ্যমন্ত্রী আফ্রিদি জ্যেষ্ঠ দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জনসমাবেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিনিধি দলে রয়েছেন পিটিআই মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা, পিটিআই সিন্ধ সভাপতি হালিম আদিল শেখসহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।
তিনি জানান, সমাবেশটি করাচির বিভিন্ন সড়ক দিয়ে অগ্রসর হয়ে শেষ পর্যন্ত বাগে-ই-জিন্নাহ মাঠে গিয়ে শেষ হবে।
সূত্র: জিও নিউজ
এমএসএম
What's Your Reaction?