পাগলা মসজিদে চিঠি: বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশকে দেখতে চান ভক্ত

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবারও কোটি কোটি টাকার পাশাপাশি মিলেছে নানা নামে-বেনামে লেখা চিঠি। তবে সবার নজর কেড়েছে এক ফুটবলপ্রেমীর আবেগঘন চিঠি। সেখানে তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন, ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশ অংশ নিতে পারে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্স থেকে এবার রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। দানবাক্সে পাওয়া সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান, আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমায় প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশের ফুটবলকে উন্নতি করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন... (একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)’ এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তখন ৩ মাস ২৭ দ

পাগলা মসজিদে চিঠি: বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশকে দেখতে চান ভক্ত
কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবারও কোটি কোটি টাকার পাশাপাশি মিলেছে নানা নামে-বেনামে লেখা চিঠি। তবে সবার নজর কেড়েছে এক ফুটবলপ্রেমীর আবেগঘন চিঠি। সেখানে তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন, ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে যেন বাংলাদেশ অংশ নিতে পারে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্স থেকে এবার রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় শুরু হয় টাকা গণনার কাজ। দানবাক্সে পাওয়া সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান, আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমায় প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশের ফুটবলকে উন্নতি করুন, খেলোয়াড়দের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন... (একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)’ এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তখন ৩ মাস ২৭ দিনে জমা পড়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া মিলেছিল বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। টাকা গণনার কাজে অংশ নেন বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষার্থী, মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। দানবাক্স খোলার খবর ছড়িয়ে পড়লে মসজিদ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা যায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow