পাগলা মসজিদে মিলল রেকর্ড টাকা
কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্সের ৪৩ বস্তা টাকা গণনা করে এবার পাওয়া গেছে রেকর্ড পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রুপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী। তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা এবং সোনা-রূপার অলংকারও পাওয়া গেছে। সেগুলো ট্রেজারিতে জমা রাখা হয়েছে। এর আগে, সর্বশেষ গত বছর ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল ১৩টি দানবাক্স। তখন ৩৫ বস্তা টাকা গণনা করে পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, শনিবারের টাকা ছাড়াই ব্যাংকে জমা আছে ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা। শনিবার সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নাজমুস সাকিব খানের উপস্থিতিতে খোলা হয় ১৩টি দানবাক্স। এরপর ৪৩টি বস্তায় ভরে সমুদয় টাকা মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে চার শতাধিক জনবল দিয়ে গণনা শুরু করা হয়। দেশি মুদ্রার পাশাপাশি পাওয়া যায় বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রূপার অলংকার। ছিল বিভিন্ন মানুষের মনোবাঞ্ছা পূরণের আকুতি লেখা প্রচুর চিঠি আর চিরকুটও। দানবাক্স খোলার নিয়ম
কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্সের ৪৩ বস্তা টাকা গণনা করে এবার পাওয়া গেছে রেকর্ড পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রুপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী। তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা এবং সোনা-রূপার অলংকারও পাওয়া গেছে। সেগুলো ট্রেজারিতে জমা রাখা হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ গত বছর ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল ১৩টি দানবাক্স। তখন ৩৫ বস্তা টাকা গণনা করে পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, শনিবারের টাকা ছাড়াই ব্যাংকে জমা আছে ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা।
শনিবার সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নাজমুস সাকিব খানের উপস্থিতিতে খোলা হয় ১৩টি দানবাক্স। এরপর ৪৩টি বস্তায় ভরে সমুদয় টাকা মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে চার শতাধিক জনবল দিয়ে গণনা শুরু করা হয়।
দেশি মুদ্রার পাশাপাশি পাওয়া যায় বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রূপার অলংকার। ছিল বিভিন্ন মানুষের মনোবাঞ্ছা পূরণের আকুতি লেখা প্রচুর চিঠি আর চিরকুটও। দানবাক্স খোলার নিয়ম প্রতি তিন মাস অন্তর। সর্বশেষ গত বছর ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল ১৩টি দানবাক্স। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন, বন্যাসহ নানা কারণে এবার খোলা হয়েছে ছয় মাস পর।
পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র, শহরের আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ও রুপালী ব্যাংকের স্টাফ মিলে চার শতাধিক মানুষ টাকা গণনায় অংশ নিয়েছিলেন। এরা টাকাগুলো মুদ্রামান অনুযায়ী আলাদা করার পর ব্যাংকের গণনা মেশিনে গণনা করে বান্ডেল বাঁধা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র্যাব ও আনসার।
What's Your Reaction?