পাটুরিয়ায় চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক ২
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঁদাবাজির প্রবণতা বেড়েছে। এ অবস্থায় অভিযান চালিয়ে অটো-সিএনজি চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের সময় দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরের দিকে পাটুরিয়া ঘাটের নীলাচল পরিবহনের কাউন্টার সংলগ্ন অটো-সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন- সায়মন মুন্সি (১৯) ও সৌরভ মুন্সি (১৯)। তারা উভয়েই উপজেলার তেঘুরী এলাকার বাসিন্দা। সায়মন মুন্সি হাবিল মুন্সির ছেলে এবং সৌরভ মুন্সি মন্তাজ মুন্সির ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষে ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রী চলাচল বেড়ে যাওয়ায় কিছু অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই অংশ হিসেবে সায়মন ও সৌরভ অটো-সিএনজি চালকদের কাছ থেকে যানবাহনপ্রতি একশ থেকে দুইশ টাকা করে চাঁদা আদায় করছিলেন।
ঘাট এলাকায় দায়িত্ব পালনরত শিবালয় থানা পুলিশের একটি দল বিষয়টি টের পেয়ে অভিযান চালায়। এসআই হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে চাঁদা আদায়ের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় কোনো ধরনের চা
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঁদাবাজির প্রবণতা বেড়েছে। এ অবস্থায় অভিযান চালিয়ে অটো-সিএনজি চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের সময় দুই যুবককে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরের দিকে পাটুরিয়া ঘাটের নীলাচল পরিবহনের কাউন্টার সংলগ্ন অটো-সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন- সায়মন মুন্সি (১৯) ও সৌরভ মুন্সি (১৯)। তারা উভয়েই উপজেলার তেঘুরী এলাকার বাসিন্দা। সায়মন মুন্সি হাবিল মুন্সির ছেলে এবং সৌরভ মুন্সি মন্তাজ মুন্সির ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষে ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রী চলাচল বেড়ে যাওয়ায় কিছু অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই অংশ হিসেবে সায়মন ও সৌরভ অটো-সিএনজি চালকদের কাছ থেকে যানবাহনপ্রতি একশ থেকে দুইশ টাকা করে চাঁদা আদায় করছিলেন।
ঘাট এলাকায় দায়িত্ব পালনরত শিবালয় থানা পুলিশের একটি দল বিষয়টি টের পেয়ে অভিযান চালায়। এসআই হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে চাঁদা আদায়ের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না। আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় চালক ও যাত্রীরা পুলিশের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশা, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে ঘাট এলাকায় চাঁদাবাজি ও অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে।