পানির ৯০ ফুট গভীরে রয়েছে বাসটি, উদ্ধারকাজে বৃষ্টির বাগড়া

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি ৯০ ফুট গভীরে চলে গেছে। বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে বৃষ্টিতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। বাসটি পানির ৯০ ফুট গভীরে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুর রহমান। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা সদর দপ্তর থেকে আরও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। বুধবার(২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ ও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা তিনজনই নারী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ৫-৭ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। বাসটিতে থাকা অন্য যাত্রীদের এখনো হদিস পাওয়া যায়নি। গোয়ালন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, যাত্রীরা এখনো বাসের ভেতরে রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলছে। তবে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দুই

পানির ৯০ ফুট গভীরে রয়েছে বাসটি, উদ্ধারকাজে বৃষ্টির বাগড়া

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি ৯০ ফুট গভীরে চলে গেছে। বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে বৃষ্টিতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।

বাসটি পানির ৯০ ফুট গভীরে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুর রহমান।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা সদর দপ্তর থেকে আরও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।

বুধবার(২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ ও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা তিনজনই নারী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ৫-৭ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। বাসটিতে থাকা অন্য যাত্রীদের এখনো হদিস পাওয়া যায়নি।

গোয়ালন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, যাত্রীরা এখনো বাসের ভেতরে রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলছে। তবে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ ও এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো মরদেহ পানির নিচে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পর ১১ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে ওঠেন। বাকিরা পানির নিচে রয়েছেন।

এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow