পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা জেতে ভারত। ম্যাচ শেষে শিরোপা উদযাপনের সময় গায়ে জাতীয় পতাকা জড়ান ভারতের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। সেটি নিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে দাবি তুলে থানায় অভিযোগ করেছেন এক আইনজীবী। আইনজীবী ওয়াজিদ খান পুনের শিবাজি নগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন হার্দিকের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্বকাপ জেতার পর জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে বান্ধবী মাহিকা শর্মার সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মাতেন হার্দিক। সেই কাজ করতে গিয়েই তিনি জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করেছেন। বার্তাসংস্থা ‘এএনআই’কে ওয়াজিদ বলেছেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছেন। জয়ের আনন্দে হার্দিক বান্ধবীকে জড়িয়ে ধরে নাচছিলেন। সেই সময়ে জাতীয় পতাকা তার পিঠে বাঁধা ছিল। ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা আইনের দ্বিতীয় ধারা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো আমাদের দায়িত্ব। হার্দিক জয়ের আনন্দে এতটাই বিভোর ছিলেন যে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন। আমার মতে জাতীয় পতাকার অপমান করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। সেই সময় পুলিশের তরফে বলা হয় ঘটনাটি অহমদাবাদে হয়েছে,
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে তৃতীয় শিরোপা জেতে ভারত। ম্যাচ শেষে শিরোপা উদযাপনের সময় গায়ে জাতীয় পতাকা জড়ান ভারতের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। সেটি নিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে দাবি তুলে থানায় অভিযোগ করেছেন এক আইনজীবী।
আইনজীবী ওয়াজিদ খান পুনের শিবাজি নগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন হার্দিকের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্বকাপ জেতার পর জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে বান্ধবী মাহিকা শর্মার সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মাতেন হার্দিক। সেই কাজ করতে গিয়েই তিনি জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করেছেন।
বার্তাসংস্থা ‘এএনআই’কে ওয়াজিদ বলেছেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছেন। জয়ের আনন্দে হার্দিক বান্ধবীকে জড়িয়ে ধরে নাচছিলেন। সেই সময়ে জাতীয় পতাকা তার পিঠে বাঁধা ছিল। ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা আইনের দ্বিতীয় ধারা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো আমাদের দায়িত্ব। হার্দিক জয়ের আনন্দে এতটাই বিভোর ছিলেন যে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন। আমার মতে জাতীয় পতাকার অপমান করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। সেই সময় পুলিশের তরফে বলা হয় ঘটনাটি অহমদাবাদে হয়েছে, পুনেতে নয়। আমি তাদের বলেছি জাতীয় পতাকা গোটা দেশের প্রতীক। তাই শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ জানানোই যায়। তখন তারা আমার অভিযোগ নিয়েছে এবং একটা প্রতিলিপিও দিয়েছে। দেখা যাক এর পর কী হয়।’
এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর কেউ কেউ মনে করছেন বাড়াবাড়ি করা হয়নি। আবার অনেকেই মনে করছেন হার্দিক চাইলে নিজেকে আরেকটু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন।
আইএন
What's Your Reaction?