পাবনা প্রেস ক্লাবের জায়গা নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর

পাবনা প্রেস ক্লাবের জায়গা নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ে পাবনা প্রেস ক্লাবের আবেদন রয়েছে৷ সেটি প্রক্রিয়াধীন। আমরা একটা বরাদ্দ দেব। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীও কিছু বরাদ্দ দেবে। যাতে ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেস ক্লাব আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে পারে। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পাবনা প্রেস ক্লাবের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের প্রীতি সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মিজানুর রহমান মিনু বলেন, পাবনা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা উপমহাদেশের মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এ জেলায় অনেক গুণী মানুষের জন্ম। যাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। জেলার সাংবাদিকরাও তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। পাবনা আমাদের শিখিয়েছে অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করতে। পাবনা ও রাজশাহী যেন একই ফুলের দুটি পাপড়ি। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন দেশকে নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। যমুনা ব্রিজ হওয়ার পর পাবনা পিছিয়ে গেছে কিছুটা। আগামীতে য

পাবনা প্রেস ক্লাবের জায়গা নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর
পাবনা প্রেস ক্লাবের জায়গা নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ে পাবনা প্রেস ক্লাবের আবেদন রয়েছে৷ সেটি প্রক্রিয়াধীন। আমরা একটা বরাদ্দ দেব। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীও কিছু বরাদ্দ দেবে। যাতে ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেস ক্লাব আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে পারে। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পাবনা প্রেস ক্লাবের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের প্রীতি সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মিজানুর রহমান মিনু বলেন, পাবনা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা উপমহাদেশের মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এ জেলায় অনেক গুণী মানুষের জন্ম। যাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। জেলার সাংবাদিকরাও তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। পাবনা আমাদের শিখিয়েছে অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করতে। পাবনা ও রাজশাহী যেন একই ফুলের দুটি পাপড়ি। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন দেশকে নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। যমুনা ব্রিজ হওয়ার পর পাবনা পিছিয়ে গেছে কিছুটা। আগামীতে যুদ্ধ হবে নিরাপদ মিষ্টি পানি নিয়ে। এন্টি ফারাক্কা হিসেবে পদ্মা যমুনা ব্যারেজকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তখন বদলে যাবে পাবনার ভাগ্য। সবাই দোয়া করবেন আমরা যেন সবাই এক সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর বাংলাদেশ নতুন প্রজন্মকে দিতে পারি৷ এর আগে জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর পাবনা প্রেস ক্লাবের প্রয়াত সদস্য ও শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আক্তারের সভাপতিত্বে সাবেক সম্পাদক আখিনূর ইসলাম রেমন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াসিন মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, আমি যেমন নাটোরের মেয়ে তেমনি পাবনারও মেয়ে। সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যারা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারেন আবার দুর্নামও আনতে পারেন। আমরা একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এই কাজের পেছনে সাংবাদিকদেরও অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। ৬৫ বছর বয়সী একটি প্রেস ক্লাব, চারটি খানি কথা নয়। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের মধ্যে অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।  তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যে কিছু অপসাংবাদিকতা শুরু হয়েছে তা দেশের উন্নয়নে বড় একটি বাধা। অপ-সাংবাদিকতা রুখতে আপনাদেরই ভূমিকা রাখতে হবে আগে। আপনারা আওয়াজ তুলুন। সরকার চেষ্টা করছে। আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের সম্মানিত করতে চাই। সরকারের কোনো ভুল হলে ধরিয়ে দিন। সরকারের ভালো কাজগুলো দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরুন।  অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, অনেক কৃতী মানুষের বসবাস পাবনায়। যাদের নিয়ে আমরা গর্ব করি। এই মাটি উর্বর মাটি। আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সাংবাদিকদেরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম বিশু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, ইউনিভার্সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানী হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি ছিফাত রহমান সনম, সহ সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক উৎপল মির্জা ও এস এ আসাদ।  প্রীতি সমাবেশ শেষে রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সংগীত পরিবেশন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মহিন খান, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাদিয়া সুলতানা লিজা, সংগীতশিল্পী মুক্তা সহ স্থানীয় শিল্পীবৃন্দ। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনা প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে এক বিশাল আনন্দ র‍্যালি বের হয়ে আব্দুল হামিদ রোড প্রদক্ষিণ করে আবার প্রেস ক্লাবে শেষ হয়। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে র‍্যালির উদ্বোধন করেন পাবনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু।  উপস্থিত ছিলেন- পাবনা- ৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম বিশু। র‍্যালিতে প্রেস ক্লাবের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্য ছাড়াও পাবনায় কর্মরত সাংবাদিক, ফটো সাংবাদিক, ক্যামেরাপার্সনসহ পাবনার সকল শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেস ক্লাবের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রথম দিন শুক্রবার (০১ মে) সকালে পাবনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে কেক কেটে ও মিষ্টিমুখ করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন রয়েছে প্রেস ক্লাব ফ্যামিলি ডে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow