পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি, ৩০০ টাকার বেশি তেল মিলছে না

খুলনা ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না হওয়ায় সাতক্ষীরার পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বেশিরভাগ পাম্পে মোটরসাইকেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যা থেকে শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের একেবারে তেলবিহীন ফিরিয়ে না দিয়ে সীমিত আকারে সবার মাঝে তেল বিতরণের লক্ষ্যে এ সাময়িক রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, খুলনার ডিপো থেকে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি না আসায় জেলার পাম্পগুলোতে মজুত দ্রুত কমে যায়। ফলে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সাতক্ষীরা শহরের একটি পাম্পে তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মাত্র ৩০০ টাকার তেল পাওয়া যাচ্ছে। এতে দূরপাল্লায় যাতায়াত করা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরার এবি খান পেট্রোল পাম্পের মালিক তাছিন কবীর খান বলেন, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ অনেক কম। তা

পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি, ৩০০ টাকার বেশি তেল মিলছে না

খুলনা ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না হওয়ায় সাতক্ষীরার পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বেশিরভাগ পাম্পে মোটরসাইকেলপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল দেওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওইদিন সন্ধ্যা থেকে শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের একেবারে তেলবিহীন ফিরিয়ে না দিয়ে সীমিত আকারে সবার মাঝে তেল বিতরণের লক্ষ্যে এ সাময়িক রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে পাম্প কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, খুলনার ডিপো থেকে নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি না আসায় জেলার পাম্পগুলোতে মজুত দ্রুত কমে যায়। ফলে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

সাতক্ষীরা শহরের একটি পাম্পে তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মাত্র ৩০০ টাকার তেল পাওয়া যাচ্ছে। এতে দূরপাল্লায় যাতায়াত করা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরার এবি খান পেট্রোল পাম্পের মালিক তাছিন কবীর খান বলেন, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ অনেক কম। তাই যাতে সবাই কিছুটা হলেও তেল পায়, সে কারণে আপাতত মোটরসাইকেলপ্রতি ৩০০ টাকার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এ ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হবে।

পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি, ৩০০ টাকার বেশি তেল মিলছে না

তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় সাধারণ চালকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় ৩০০ টাকার তেল খুব অল্প, এতে তাদের দৈনন্দিন চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছে।

এদিকে জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা। তাদের আশঙ্কা, সংকট দীর্ঘায়িত হলে পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে।

আহসানুর রহমান রাজীব/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow