পারমাণবিক আলোচনায় পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকছেন ট্রাম্প 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জেনেভায় শুরু হতে যাওয়া পারমাণবিক আলোচনায় তিনি পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকবেন। তিনি আরও জানান, আলোচনায় বসতে তেহরান আগ্রহী। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প এই আলোচনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ইরানকে আরও বাস্তবসম্মত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, চুক্তি না করলে তার ফলাফল তারা চাইবে না। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর ইরান কঠিন অবস্থানের প্রভাব দেখেছে। সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বারবার সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এ দ্বিতীয় দফা আলোচনা হচ্ছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন আরও বাস্তবসম্মত হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। তিনি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ওয়াশিংটনের আরোপ

পারমাণবিক আলোচনায় পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকছেন ট্রাম্প 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জেনেভায় শুরু হতে যাওয়া পারমাণবিক আলোচনায় তিনি পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকবেন। তিনি আরও জানান, আলোচনায় বসতে তেহরান আগ্রহী।

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প এই আলোচনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ইরানকে আরও বাস্তবসম্মত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, চুক্তি না করলে তার ফলাফল তারা চাইবে না। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর ইরান কঠিন অবস্থানের প্রভাব দেখেছে।

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বারবার সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এ দ্বিতীয় দফা আলোচনা হচ্ছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন আরও বাস্তবসম্মত হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না।

তিনি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ওয়াশিংটনের আরোপ করা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আরও বিস্তৃত ছাড় চায়। তাদের দাবি, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে এবং আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে, যেমন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের আনসারাল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। তবে এসব দাবি ইরান আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow