পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি বাতিল এবং আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদগুলোতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাসহ ৭ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বান্দরবান সদরের একটি রেস্তোরাঁ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে আঞ্চলিক পরিষদ এবং ৩৭ বছর ধরে জেলা পরিষদগুলো অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বেড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পরিষদগুলোতে চেয়ারম্যান পদটি উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত রাখা অসাংবিধানিক এবং এর মাধ্যমে ৫৪ শতাংশ বাঙালি জনগোষ্ঠীকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ৭ দফা দাবি উত্থাপিত করেন। দাবিগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল করা; আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চেয়ারম্যান ও সদস্য গঠন; বাঙালিদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের সুযোগ প্রদান এবং ‘ভাইস চেয়ারম্যান’ পদ সৃষ

পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি বাতিল এবং আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদগুলোতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাসহ ৭ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বান্দরবান সদরের একটি রেস্তোরাঁ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে আঞ্চলিক পরিষদ এবং ৩৭ বছর ধরে জেলা পরিষদগুলো অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বেড়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পরিষদগুলোতে চেয়ারম্যান পদটি উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষিত রাখা অসাংবিধানিক এবং এর মাধ্যমে ৫৪ শতাংশ বাঙালি জনগোষ্ঠীকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ৭ দফা দাবি উত্থাপিত করেন। দাবিগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল করা; আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চেয়ারম্যান ও সদস্য গঠন; বাঙালিদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের সুযোগ প্রদান এবং ‘ভাইস চেয়ারম্যান’ পদ সৃষ্টি; পার্বত্য এলাকা থেকে প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন; নিরাপত্তার স্বার্থে ১,০৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক দ্রুত নির্মাণ সম্পন্ন করা এবং পুলিশের পরিবর্তে সেনাক্যাম্পগুলোতে পুনরায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা পার্বত্য অঞ্চলে জেএসএস, ইউপিডিএফ ও কেএনএফসহ একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের চাঁদাবাজি, গুম ও খুনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তারা জানান, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরাও প্রতিনিয়ত হামলার শিকার হচ্ছেন। জুমের ফসল থেকে শুরু করে ঠিকাদারি—সবক্ষেত্রেই চাঁদা না দিলে নিস্তার মিলছে না। এই নৈরাজ্য থেকে মুক্তি পেতে তাঁরা রাষ্ট্রের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow