পিএসএলে রেকর্ড গড়ে রিশাদদের হারাল শরিফুলরা

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দিনের প্রথম ম্যাচে আজ পেশোয়ার জালমির মুখোমুখি হয় রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। জবাবে পেশোয়ার ৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে রেখে চলে যায় জয়ের বন্দরে। পিএসএলের ইতিহাসে লাহোরে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড এটি। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে পিন্ডিজ। ওপেনিংয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সাথে নামেন ইয়াসির খান। পেশোয়ার অধিনায়ক বাবর আজম নতুন বল তুলে দেন শরিফুল ইসলামের হাতে। প্রথম ওভারে ৭ রান দেন শরিফুল। ওভারের ৫ম বলে ছক্কা হাঁকান ইয়াসির। পরে ৩য় ওভারে বোলিংয়ে আসেন শরিফুল। সেখানে দিয়েছেন ৮ রান। ২ ওভারের স্পেলে ১৫ রান দেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে আরও এক ওভার করেছেন শরিফুল। ৬ষ্ঠ ওভারে শরিফুল দেন মাত্র ৫ রান। ৩ ওভারে ২০ রান দেন তিনি, উইকেট পাননি। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করে পিন্ডিজ। শরিফুলের ৩ ওভার বাদে পাওয়ারপ্লের বাকি ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৩ রান নেয় তারা। রিজওয়ান এবং ইয়াসির শুরু থেকেই চালিয়েছেন মারমুখি ব্যাটিং। ৬ ওভারে রান আসে ৬৩। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে দুজনের উইলোবাজি। ধুমধাড়াক্কা

পিএসএলে রেকর্ড গড়ে রিশাদদের হারাল শরিফুলরা

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দিনের প্রথম ম্যাচে আজ পেশোয়ার জালমির মুখোমুখি হয় রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। জবাবে পেশোয়ার ৫ বল এবং ৫ উইকেট হাতে রেখে চলে যায় জয়ের বন্দরে। পিএসএলের ইতিহাসে লাহোরে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড এটি।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে পিন্ডিজ। ওপেনিংয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সাথে নামেন ইয়াসির খান। পেশোয়ার অধিনায়ক বাবর আজম নতুন বল তুলে দেন শরিফুল ইসলামের হাতে। প্রথম ওভারে ৭ রান দেন শরিফুল। ওভারের ৫ম বলে ছক্কা হাঁকান ইয়াসির। পরে ৩য় ওভারে বোলিংয়ে আসেন শরিফুল। সেখানে দিয়েছেন ৮ রান। ২ ওভারের স্পেলে ১৫ রান দেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে আরও এক ওভার করেছেন শরিফুল। ৬ষ্ঠ ওভারে শরিফুল দেন মাত্র ৫ রান। ৩ ওভারে ২০ রান দেন তিনি, উইকেট পাননি।

ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করে পিন্ডিজ। শরিফুলের ৩ ওভার বাদে পাওয়ারপ্লের বাকি ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৩ রান নেয় তারা। রিজওয়ান এবং ইয়াসির শুরু থেকেই চালিয়েছেন মারমুখি ব্যাটিং। ৬ ওভারে রান আসে ৬৩। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে দুজনের উইলোবাজি। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে শতরান পার করে ওপেনিং জুটি। ফিফটির খুব কাছে গিয়ে থেমেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৩২ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে দলের ১২৫ রানের মাথাতে থেমেছেন অধিনায়ক রিজওয়ান।

ইয়াসির অবশ্য ফিফটি তুলে নেন। ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। সেঞ্চুরিটা ছুঁতে পারেননি যদিও। ৪৬ বলে ৮৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলা ইয়াসির দলের ১৪৪ রানের মাথাতে থেমেছেন। এরপর ২০ বলে ৩৭ রানের ক্যামিও খেলেন কামরান গুলাম। ১৩ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলেছেন ড্যারিল মিচেল। ইনিংসের শেষ দিকে বোলিংয়ে ফেরেন শরিফুল। শেষের আগের ওভারে অর্থাৎ ১৯তম ওভারে শরিফুল দিয়েছেন ১১ রান, নো-ওয়াইড দিয়ে কিছুটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলেন শুরুতেই, পরে ফিরে এসেছেন। তবে উইকেট মেলেনি। ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশুন্য থেকে নিজের বোলিং কোটা শেষ করেন শরিফুল ইসলাম।

নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে পিন্ডিজ দাঁড় করায় ২১৪ রানের সংগ্রহ, হারিয়েছে ৪ উইকেট। জালমির হয়ে ২ উইকেট নেন আলি রাজা। ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন আমের জামাল এবং অ্যারন হার্ডি। জবাব দিতে নেমে পেশোয়ারকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ হারিস এবং বাবর আজম। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন দুই ওপেনার। রান তুলেছেন ঝড়ের গতিতে। ফায়দা লুটেছেন পাওয়ারপ্লের। ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬২ রান তোলে পেশোয়ার জালমি।

পাওয়ারপ্লে শেষে ভেঙেছে ওপেনিং জুটি। দলের ৭৮ রানের মাথাতে ২৮ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন অধিনায়ক বাবর আজম। পরের ওভারেই থেমেছেন হারিস। ফিফটির দিকে ছুটতে থাকা হারিস দলের ৯৬ রানের মাথাতে বিদায় নেন ২৮ বলে ৪৭ রান করে। চারে নামা অ্যারন হার্ডি সুবিধা করতে পারেননি। ১০ বলে ৮ রান করে বিদায় নিয়েছেন তিনি। তবে তিনে নেমে ১৭ বলে ৩১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন কুশল মেন্ডিস।

শেষ দিকে ঝড় তোলেন আবদুল সামাদ এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল। দুজনের ব্যাটে ভর করেই জয়ের আশা জাগায় পেশোয়ার। সামাদ ১১ বলে ৩৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলের ১৯৪ রানের মাথাতে থামেন। এরই মাঝে নিজের চার ওভার শেষ করে ফেলেন পিন্ডিজের বাংলাদেশি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ৮ম ওভারে প্রথম বোলিংয়ে এসে ৫ রান দেন রিশাদ। ১১তম ওভারে বোলিংয়ে ফিরে দেন ৯ রান। ২ ওভারে উইকেটশুন্য, দেন ১৪ রান।

১৪তম ওভারে এসে উইকেট পান রিশাদ। ফেরান অ্যারন হার্ডিকে। সেই ওভারে ৩ রান দেন রিশাদ হোসেন। ৩ ওভারে ১ উইকেট নিয়ে ১৭ রান খরচা করেন। পরে ১৬তম ওভারে এসে যদিও ১৮ রান হজম করেছেন। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে বোলিং শেষ করেছেন রিশাদ হোসেন। শেষ দিকে ব্রেসওয়েলের সাথে যোগ দেন আমের জামাল। নাসিম শাহের একের পর এক ওয়াইড বলে পেশোয়ার চলে যায় জয়ের খুবই কাছে। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১ রান। প্রথম বলেই চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করে ফেলেন আমের জামাল।

৫ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জিতেছে পেশোয়ার জালমি। ৫ বলে ১৭ রান করে টিকে ছিলেন জামাল। ১৭ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন ব্রেসওয়েল। রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে ২ উইকেট নেন আমজাদ বাট। ১টি করে উইকেট তুলেছেন রিশাদ হোসেন, আসিফ আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ আমির।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow