পিরোজপুর পৌর শ্মশানে চুরি
পিরোজপুর পৌর এলাকার পৌর শ্মশানের কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১ জুন) ভোররাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময়ে এ ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় লোকজন শ্মশান কালী মন্দিরে এসে বিশৃঙ্খলা দেখতে পান। দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে প্রতিমা ভাঙচুর করে এবং একটি প্রতিমায় আগুন ধরিয়ে দেয়। একইসঙ্গে মন্দিরের প্রণামী বাক্স এবং মরদেহ সৎকারের জন্য রাখা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পৌর শ্মশান কমিটির সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী জানান, খবর পেয়ে আমি শ্মশানে গিয়ে দেখি, কালী মন্দিরের পাশে থাকা শিব ঠাকুরের মূর্তিটি ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙা প্রতিমার কিছু অংশ বাইরে এনে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া শ্মশানের প্রধান ফটক ভাঙচুরসহ সৎকারের কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে তারা।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শ
পিরোজপুর পৌর এলাকার পৌর শ্মশানের কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১ জুন) ভোররাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময়ে এ ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় লোকজন শ্মশান কালী মন্দিরে এসে বিশৃঙ্খলা দেখতে পান। দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে প্রতিমা ভাঙচুর করে এবং একটি প্রতিমায় আগুন ধরিয়ে দেয়। একইসঙ্গে মন্দিরের প্রণামী বাক্স এবং মরদেহ সৎকারের জন্য রাখা বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পৌর শ্মশান কমিটির সভাপতি সুনীল চক্রবর্তী জানান, খবর পেয়ে আমি শ্মশানে গিয়ে দেখি, কালী মন্দিরের পাশে থাকা শিব ঠাকুরের মূর্তিটি ভাঙচুর করা হয়েছে। ভাঙা প্রতিমার কিছু অংশ বাইরে এনে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া শ্মশানের প্রধান ফটক ভাঙচুরসহ সৎকারের কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে তারা।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, মন্দিরের টাকা ও মালামাল চুরির উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ আছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পৌর প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমতী দোলা গুহ এবং পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।