পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে তেহরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য রাশিয়ায় পৌঁছেছেন। খবর আল জাজিরার। আলোচনার জন্য পাকিস্তানে প্রতিনিধি দলের পরিকল্পিত সফর বাতিল করার একদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতারা আলোচনা করতে চাইলে ‘আমাদের কাছে আসতে পারেন, অথবা আমাদের ফোন করতে পারেন’। হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে এবং ইরানের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা আলী নিকজাদ বলেছেন, তেহরান এই কৌশলগত জলপথে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে আর ফিরে যেতে দেবে না। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম। সোমবার (২৭ এপ্রিল) অপরিশোধিত তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন তেলের দামও এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯৫ দশমিক ৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও এশিয়ার প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্র
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে তেহরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য রাশিয়ায় পৌঁছেছেন। খবর আল জাজিরার।
আলোচনার জন্য পাকিস্তানে প্রতিনিধি দলের পরিকল্পিত সফর বাতিল করার একদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতারা আলোচনা করতে চাইলে ‘আমাদের কাছে আসতে পারেন, অথবা আমাদের ফোন করতে পারেন’।
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে এবং ইরানের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা আলী নিকজাদ বলেছেন, তেহরান এই কৌশলগত জলপথে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে আর ফিরে যেতে দেবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম। সোমবার (২৭ এপ্রিল) অপরিশোধিত তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন তেলের দামও এক শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৯৫ দশমিক ৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও এশিয়ার প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক সোমবার ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক ২ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন মৌখিক আশ্বাসের চেয়ে সংঘাত নিরসনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অপেক্ষায় রয়েছেন। সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতিবিদ গোহ জিং রং জানান, তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে হলে কেবল ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নয় বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্য চুক্তির প্রয়োজন।
টিটিএন
What's Your Reaction?