পুনর্নির্বাচনের দাবি হাতপাখার প্রার্থীর
নোয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনে অনিয়ম ও বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম। জহিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় সোনাইমুড়ী থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, কিন্তু থানার পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। এছাড়া তার ওপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণে বিলম্ব হয়েছে। প্রার্থী বলেন, নির্বাচনের আগের রাত থেকে পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। এই সময়ে থানার ওসি কবির হোসেনও অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল, যা থানায় অভিযোগ জানানো হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনিয়ম, ভোটারদের বাধা প্রদান এবং ভোট পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেন, ভোটের ফলাফলকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত এবং প্রয়োজনে পূর্ণ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নে
নোয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনে অনিয়ম ও বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণে গড়িমসির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম।
জহিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় সোনাইমুড়ী থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, কিন্তু থানার পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। এছাড়া তার ওপর হামলার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণে বিলম্ব হয়েছে।
প্রার্থী বলেন, নির্বাচনের আগের রাত থেকে পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। এই সময়ে থানার ওসি কবির হোসেনও অনুপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল, যা থানায় অভিযোগ জানানো হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।
জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনিয়ম, ভোটারদের বাধা প্রদান এবং ভোট পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ গুরুত্ব দেননি।
তিনি বলেন, ভোটের ফলাফলকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত এবং প্রয়োজনে পূর্ণ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?