পুরো নগরে আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন করা হবে: সিসিক প্রশাসক

পর্যায়ক্রমে পুরো সিলেট নগরে আধুনিক এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে জানিয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সুরমা নদীর উত্তর ও দক্ষিণ উভয় পাড়েই সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক আলোকসজ্জার সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রোববার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বরইকান্দি এলাকায় আধুনিক আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ করলেই একটি আধুনিক নগর গড়ে ওঠে না। নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গড়তে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক সড়কবাতি নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নগরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে। তিনি আরও বলেন, বর্ধিত ১৫টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে আধুনিক এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য, উন্নয়নের সুফল যেন নগরের প্রতিটি এলাকায় সমানভাবে পৌঁছে যায়। সুরমার উত্তর ও দক্ষিণ দুই পাড়েই সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় নিশ্চিত করতে আ

পুরো নগরে আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন করা হবে: সিসিক প্রশাসক

পর্যায়ক্রমে পুরো সিলেট নগরে আধুনিক এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে জানিয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সুরমা নদীর উত্তর ও দক্ষিণ উভয় পাড়েই সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি আধুনিক আলোকসজ্জার সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বরইকান্দি এলাকায় আধুনিক আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ করলেই একটি আধুনিক নগর গড়ে ওঠে না। নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গড়তে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক সড়কবাতি নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নগরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে।

তিনি আরও বলেন, বর্ধিত ১৫টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে আধুনিক এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য, উন্নয়নের সুফল যেন নগরের প্রতিটি এলাকায় সমানভাবে পৌঁছে যায়। সুরমার উত্তর ও দক্ষিণ দুই পাড়েই সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এলইডি লাইট স্থাপন করা হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে এবং নাগরিকরাও উন্নত সেবা পাবেন। তিনি এই আলোকসজ্জা ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত ত্রুটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস জানান, আধুনিক এলইডি লাইট স্থাপনের ফলে সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। পাশাপাশি ‘স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম’-এর মাধ্যমে সড়কবাতি ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় হবে। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রাতের সড়ক দুর্ঘটনা কমবে এবং পর্যটন নগরী সিলেটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. এনামুল হক, সদস্য সচিব মকসুদ আহমদসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

কাজিরখলা-সুনামপুর রিয়াছত জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সুইচ টিপে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন তিনি। সুইচ চালুর সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা আধুনিক এলইডি আলোর ঝলকানিতে আলোকিত হয়ে ওঠে। ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট’-এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এদিকে, রোববার দুপুরে নগর ভবনের সভাকক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সভায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো প্রকল্পের কাজে যেন অযথা বিলম্ব না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুণগত মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। প্রতিটি কাজ নিয়মিত তদারকি করতে হবে এবং যে কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে কাজের গতি বজায় রাখতে হবে। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল যেন দীর্ঘমেয়াদে নগরবাসী ভোগ করতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, আমরা একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সিলেট নগরী গড়ে তুলতে কাজ করছি। সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আলোকায়ন ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত, আবর্জনাময় ও কচুরিপানায় ঢাকা এক বিশাল জলাশয়ের হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিতে মাঠে নেমেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। রোববার সকালে নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় শুরু হয়েছে এই পরিচ্ছন্নতা ও জলাশয় উদ্ধার অভিযান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow