পুলিশের অভিযানে অসুস্থ হয়ে যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু
চট্টগ্রামে পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ হয়ে পড়া এক যুবলীগ কর্মী হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে নগরীর আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় ওই যুবলীগ কর্মীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। নিহত দিদারুল আলম পাহাড়তলী থানা যুবলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন এক যুবক। তার গায়ে কোনো জামা ছিল না এবং তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘মোবাইল দেন, টাকা দেন, আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’ পুলিশ জানায়, নগর পুলিশের ‘এস ড্রাইভ’ নামের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে দিদারুল তার সঙ্গে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন। পুলি
চট্টগ্রামে পুলিশের অভিযানের সময় অসুস্থ হয়ে পড়া এক যুবলীগ কর্মী হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে নগরীর আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় ওই যুবলীগ কর্মীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার রাতে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
নিহত দিদারুল আলম পাহাড়তলী থানা যুবলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন এক যুবক। তার গায়ে কোনো জামা ছিল না এবং তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘মোবাইল দেন, টাকা দেন, আমার দুইটা বাচ্চা আছে স্যার।’
পুলিশ জানায়, নগর পুলিশের ‘এস ড্রাইভ’ নামের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে দিদারুল তার সঙ্গে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে তাকে মাটিতে গড়াগড়ি করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ প্রথমে তাকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার কারণে দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
What's Your Reaction?