পুশইন ঠেকাতে শেরপুর সীমান্তে বিজিবির নিশ্ছিদ্র নজরদারি 

ভারত থেকে পুশইন মোকাবিলায় শেরপুরের ৪২ কিলোমিটার স্থল ও নদী সীমান্তজুড়ে বাড়তি টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা চলছে বিশেষ টহল। মানবপাচারকারী সদস্যদের যোগসাজশে এ ধরনের পুশইনের চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে কাজ করছে আনসার সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জেলার তিনটি উপজেলা শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়িতে মোট ৪২ কিলোমিটার স্থল ও জল সীমান্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে একটি ব্যর্থ পুশইন চেষ্টা ও পার্শ্ববর্তী জেলার বেশকিছু পুশইনের ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সীমান্তজুড়ে। ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে বিজিবির বিশেষ টহল চলছে। জেলার ৮টি বিওপির গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ টহল কার্যক্রম। মাইকিং, উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগণকে করা হচ্ছে সতর্ক। শুধু বিজিবিই নয়, সীমান্ত সুরক্ষায় এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি নালিতাবাড়ী উপজেলা

পুশইন ঠেকাতে শেরপুর সীমান্তে বিজিবির নিশ্ছিদ্র নজরদারি 

ভারত থেকে পুশইন মোকাবিলায় শেরপুরের ৪২ কিলোমিটার স্থল ও নদী সীমান্তজুড়ে বাড়তি টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা চলছে বিশেষ টহল।

মানবপাচারকারী সদস্যদের যোগসাজশে এ ধরনের পুশইনের চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে কাজ করছে আনসার সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জেলার তিনটি উপজেলা শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়িতে মোট ৪২ কিলোমিটার স্থল ও জল সীমান্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে একটি ব্যর্থ পুশইন চেষ্টা ও পার্শ্ববর্তী জেলার বেশকিছু পুশইনের ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সীমান্তজুড়ে। ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে বিজিবির বিশেষ টহল চলছে।

জেলার ৮টি বিওপির গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ টহল কার্যক্রম। মাইকিং, উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগণকে করা হচ্ছে সতর্ক। শুধু বিজিবিই নয়, সীমান্ত সুরক্ষায় এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া বিওপির আওতাধীন ১১১৮ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফ পাঁচজনকে বাংলাদেশে অবৈধ পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর তা প্রতিহত করে। স্থানীয় দালালদের শনাক্তকরণ, সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি এবং গ্রামবাসীর সক্রিয় সহযোগিতায় একটি সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে উঠেছে। ফলে পুশইনের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রস্তুত তারা।

এছাড়াও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, আমাদের ছোট দেশে এভাবে জোর করে পুশইন মেনে নেওয়া হবে না। সেই সাথে সহযোগিতাকারী মানবপাচারকারী সদস্যদের চিহ্নিত করছে তারা। যদি পরবর্তীতে এমন পুশইনের ঘটনা ঘটে তবে সম্মিলিতভাবে প্রতিহতের দাবি তাদের।

শেরপুর নকশি বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার মো. আক্তার হোসেন বলেন, সীমান্ত নিরাপদ রাখতে বিজিবি বদ্ধপরিকর। স্থানীয়দের সচেতন করার পাশাপাশি নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি। কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow