প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা, বাড়িঘরে আগুন
নরসিংদীর পলাশে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন আরও দুই যুবক। শনিবার (২৩ মে) সকালে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ে হত্যাকারীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর আগে শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মাঝেরচর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক আশিক ভূঁইয়া (২০) মাঝেরচর গ্রামের মনির হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। এ সময় একই এলাকার বকুল ভূঁইয়ার ছেলে রুহুল আমিন (২০) ও মান্নান ফকিরের ছেলে ইলিয়াস আহত হয়। তাদের মধ্যে রুহুল আমিনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সাগর (২২) তার ছোট ভাই সোহাগের (২০) সঙ্গে প্রতিবেশী বকুল ভূঁইয়ার ছেলে রুহুল আমিনের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার মীমাংসা করার জন্য শুক্রবার বিকেলে পারুলিয়া ভূইয়া বাড়ির পাশে স্থান ও সময় নির্ধারণ করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। শুক্রবার বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন নির্ধারিত স্থানে বিচারকদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাগর ও সোহাগস
নরসিংদীর পলাশে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন আরও দুই যুবক। শনিবার (২৩ মে) সকালে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ে হত্যাকারীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর আগে শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মাঝেরচর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক আশিক ভূঁইয়া (২০) মাঝেরচর গ্রামের মনির হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। এ সময় একই এলাকার বকুল ভূঁইয়ার ছেলে রুহুল আমিন (২০) ও মান্নান ফকিরের ছেলে ইলিয়াস আহত হয়। তাদের মধ্যে রুহুল আমিনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সাগর (২২) তার ছোট ভাই সোহাগের (২০) সঙ্গে প্রতিবেশী বকুল ভূঁইয়ার ছেলে রুহুল আমিনের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার মীমাংসা করার জন্য শুক্রবার বিকেলে পারুলিয়া ভূইয়া বাড়ির পাশে স্থান ও সময় নির্ধারণ করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। শুক্রবার বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন নির্ধারিত স্থানে বিচারকদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাগর ও সোহাগসহ প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন লোক আশিকের ওপর হামলা চালায়। তাদের হাতে থাকা ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আশিককে গুরুতর আহত করে। তাকে বাঁচাতে রুহুল আমিন ও ইলিয়াস এগিয়ে এলে তারাও ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিককে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত রুহুল আমিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। অভিযুক্ত সাগর ও সোহাগ পারুলিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর পুত্র।
এদিকে শনিবার সকালে আশিকের মৃত্যুর খবরে আত্মীয়স্বজনরা প্রতিবেশী সাগর-সোহাগদের বাড়িতে হামলা চালায়। একপর্যায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের খবর পেয়ে পলাশ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী রোমান ভূইয়া জানান, সালিশের নির্ধারিত স্থানে স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হতে থাকে। এসময় সকলেই যারা সালিশ করবেন তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই সাগর ও তার ভাই সোহাগ আশিকের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। তাকে বাঁচাতে গেলে রুহুল আমিন ও ইলিয়াসও গুরুতর আহত হন।
পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আশিকের মৃত্যুর খবরে সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও তাদের আত্মীয়স্বজন সাগর-সোহাগদের বাড়িঘরে আগুন দেয়।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, আশিকের মৃত্যুর খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আগুন দেয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।