প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে হত্যা
বগুড়ার ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল মালিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত আলোচিত আলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।
জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল মালিক সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন আলাল শেখ। ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে তিনি বাসা থেকে ভোট দিতে বের হন।
ভোট প্রদান শেষে বাজার থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল তাকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের দাবি, বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকার ডাবতলা এলাকায় নিয়ে আলাল শেখের ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। সেখানে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩ এপ্রিল ভোরে তিনি মারা যান।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে আলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ
বগুড়ার ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল মালিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত আলোচিত আলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।
জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ ফতেহ আলী বাজার কাঁচামাল মালিক সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন আলাল শেখ। ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে তিনি বাসা থেকে ভোট দিতে বের হন।
ভোট প্রদান শেষে বাজার থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল তাকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের দাবি, বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকার ডাবতলা এলাকায় নিয়ে আলাল শেখের ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। সেখানে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩ এপ্রিল ভোরে তিনি মারা যান।
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে আলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নিহতের পরিবার বলছে, দ্রুত বিচার না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।