প্রতিপক্ষকে ১০ গোল দেওয়ার ম্যাচে যে রেকর্ড গড়লেন পেপ গার্দিওলা
ইংলিশ ফুটবলের রেকর্ডবুকে ‘সবচেয়ে বেশি’ কিংবা ‘সবচেয়ে বড়’—এই ধরনের শিরোনামের নিচে ম্যানচেস্টার সিটির নাম নতুন নয়। এবার সেই তালিকায় আরেকটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় যোগ হলো। এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে একতরফা দাপটে সিটিজেনরা ১০–১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে দুর্বল প্রতিপক্ষ এক্সটার সিটিকে।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে কোচ হিসেবে নিজের ক্যারিয়ারে প্রথমবার প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ১০ গোল করা দল দেখলেন পেপ গার্দিওলা। তবে রেকর্ডের এই রাতেও টাচলাইনে থাকতে পারেননি তিনি। আগের ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়ার কারণে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করায় গ্যালারি থেকেই ম্যাচটি উপভোগ করতে হয় সিটির কোচকে।
এই জয়ের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটি হয়ে উঠেছে ১৯৮৬ সালের পর প্রথম কোনো ইংলিশ শীর্ষস্তরের দল, যারা কোনো প্রতিযোগিতায় ১০ বা তার বেশি গোল করল। এফএ কাপে এমন কীর্তি শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৬০ সালে, যখন টটেনহ্যাম ১৩–২ গোলে হারিয়েছিল ক্রুকে।
মজার বিষয়, এই গোলবন্যায় নাম লেখাননি দলের প্রধান গোলমেশিন আর্লিং হলান্ড। এক্সেটারের শেষ মুহূর্তের সান্ত্বনার গোলের কারণে সিটি তাদের ক্লাব-রেকর্ড নয় গোল ব্যবধান ছাড়াতে না পারলেও, ৯২ বছর পর আবার এফএ কাপে
ইংলিশ ফুটবলের রেকর্ডবুকে ‘সবচেয়ে বেশি’ কিংবা ‘সবচেয়ে বড়’—এই ধরনের শিরোনামের নিচে ম্যানচেস্টার সিটির নাম নতুন নয়। এবার সেই তালিকায় আরেকটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় যোগ হলো। এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে একতরফা দাপটে সিটিজেনরা ১০–১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে দুর্বল প্রতিপক্ষ এক্সটার সিটিকে।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে কোচ হিসেবে নিজের ক্যারিয়ারে প্রথমবার প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ১০ গোল করা দল দেখলেন পেপ গার্দিওলা। তবে রেকর্ডের এই রাতেও টাচলাইনে থাকতে পারেননি তিনি। আগের ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়ার কারণে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করায় গ্যালারি থেকেই ম্যাচটি উপভোগ করতে হয় সিটির কোচকে।
এই জয়ের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটি হয়ে উঠেছে ১৯৮৬ সালের পর প্রথম কোনো ইংলিশ শীর্ষস্তরের দল, যারা কোনো প্রতিযোগিতায় ১০ বা তার বেশি গোল করল। এফএ কাপে এমন কীর্তি শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৬০ সালে, যখন টটেনহ্যাম ১৩–২ গোলে হারিয়েছিল ক্রুকে।
মজার বিষয়, এই গোলবন্যায় নাম লেখাননি দলের প্রধান গোলমেশিন আর্লিং হলান্ড। এক্সেটারের শেষ মুহূর্তের সান্ত্বনার গোলের কারণে সিটি তাদের ক্লাব-রেকর্ড নয় গোল ব্যবধান ছাড়াতে না পারলেও, ৯২ বছর পর আবার এফএ কাপে ১০ গোল করার কীর্তি দেখল তারা।
এই ম্যাচটি ছিল এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে সিটির টানা ১১তম জয়, যেখানে প্রতিবারই তারা জিতেছে কমপক্ষে তিন গোলের ব্যবধানে। সর্বশেষ ২০১৪–১৫ মৌসুমে শেফিল্ড ওয়েডনেসডের বিপক্ষে মাত্র এক গোলের ব্যবধানে জিতেছিল তারা।
নতুন মুখ সেমিনিয়ো অভিষেক ম্যাচেই গোল ও অ্যাসিস্টে অবদান রাখেন। যদিও তার একটি শট ব্লক হয়ে গিয়ে শেষ পর্যন্ত রদ্রির পায়ে গিয়ে গোলের রূপ নেয়। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তার তৃতীয় ম্যাচ, যেখানে তিনি একই সঙ্গে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন—প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
এ ছাড়া ম্যাচের প্রথমার্ধেই এক্সেটারের দুইটি আত্মঘাতী গোল সিটির কাজ আরও সহজ করে দেয়। আশ্চর্যের বিষয়, চলতি মৌসুমে সিটির বিপক্ষে এটিই প্রথম নয়—এর আগে বার্নলির বিপক্ষেও এমন ঘটনা ঘটেছিল।
এই ম্যাচে গোল করার মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সিটির হয়ে গোলদাতার সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ জনে। অভিষেক ম্যাচেই গোল করে স্মরণীয় করে রাখেন রায়ান ম্যাকএডু ও ম্যাক্স অ্যালিনও।
সব মিলিয়ে, কোচ মাঠে না থাকলেও ম্যানচেস্টার সিটির এই জয় ছিল আধিপত্যের স্পষ্ট বার্তা—এফএ কাপে তারা শুধু অংশ নিতে আসেনি, ইতিহাস গড়তেও প্রস্তুত।