প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন খাদিজা
প্রতিবন্ধকতাও তাকে থামাতে পারেনি। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর সহায়তায় হুইলচেয়ারে বসেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন খাদিজা খাতুন। চলতি বছর সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেন এই শিক্ষার্থী। লিখতে অক্ষম হওয়ায় খাদিজার জন্য শ্রুতিলেখকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাহারিমা তানহা তার শ্রুতিলেখক হিসেবে খাতায় লিখে সহযোগিতা করছে। খাদিজা খাতুন তেকানী চুকাইনগর হাইস্কুলের শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে খাদিজা বলেন, শ্রুতিলেখক পাওয়ায় আমি খুব খুশি হয়েছি। যার জন্য আমি অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতই পরীক্ষা দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমার স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনেক কষ্ট করেছেন এবং পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে থাকা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোরসালিন হাসান জানান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত সব সুযোগ-সুবিধাই খাদিজাকে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ নজমুল হোসেন জানান, সোনাতলা
প্রতিবন্ধকতাও তাকে থামাতে পারেনি। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর সহায়তায় হুইলচেয়ারে বসেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন খাদিজা খাতুন।
চলতি বছর সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেন এই শিক্ষার্থী।
লিখতে অক্ষম হওয়ায় খাদিজার জন্য শ্রুতিলেখকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাহারিমা তানহা তার শ্রুতিলেখক হিসেবে খাতায় লিখে সহযোগিতা করছে। খাদিজা খাতুন তেকানী চুকাইনগর হাইস্কুলের শিক্ষার্থী।
পরীক্ষা শেষে খাদিজা বলেন, শ্রুতিলেখক পাওয়ায় আমি খুব খুশি হয়েছি। যার জন্য আমি অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতই পরীক্ষা দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমার স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনেক কষ্ট করেছেন এবং পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন।
কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে থাকা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোরসালিন হাসান জানান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত সব সুযোগ-সুবিধাই খাদিজাকে দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ নজমুল হোসেন জানান, সোনাতলা উপজেলায় এ বছর ৭টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে মোট ৩ হাজার ৫৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ২ হাজার ৯৬৫ জন, মাদ্রাসায় ২৮১ জন এবং ভোকেশনালে ৩৮৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
What's Your Reaction?