প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড, দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ম্যাচের ‘নায়ক’ কাসেমিরো

জাপানের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে যখন শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল, তখন ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে উল্লাসে মাতলেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো। অথচ হিউস্টনের এই ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের ১৫ মিনিটে ট্যাকল করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখা এবং মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছিলেন তিনি।  কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই ঘটল সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন! নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে ফিফার 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' পুরস্কার জিতে নিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কার্লো আনচেলত্তির ছকে খোলস ছেড়ে বের হন ব্রাজিলের এই ৫ নম্বর জার্সিধারী লড়াকু ফুটবলার। ৫৬ মিনিটে গাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের চমৎকার ক্রস থেকে উড়ে আসা বলে লাফিয়ে উঠে এক চোখধাঁধানো হেডে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান তিনি। কাসেমিরোর এই গোলেই মূলত ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ইনজুরি টাইমে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি জয়সূচক গোলটি করতে পেরেছিলেন। ম্যাচের পরিসংখ্যানও কাসেমিরোর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের

প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড, দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ম্যাচের ‘নায়ক’ কাসেমিরো
জাপানের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে যখন শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল, তখন ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে উল্লাসে মাতলেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো। অথচ হিউস্টনের এই ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের ১৫ মিনিটে ট্যাকল করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখা এবং মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছিলেন তিনি।  কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই ঘটল সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন! নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে ফিফার 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' পুরস্কার জিতে নিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কার্লো আনচেলত্তির ছকে খোলস ছেড়ে বের হন ব্রাজিলের এই ৫ নম্বর জার্সিধারী লড়াকু ফুটবলার। ৫৬ মিনিটে গাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের চমৎকার ক্রস থেকে উড়ে আসা বলে লাফিয়ে উঠে এক চোখধাঁধানো হেডে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান তিনি। কাসেমিরোর এই গোলেই মূলত ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ইনজুরি টাইমে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি জয়সূচক গোলটি করতে পেরেছিলেন। ম্যাচের পরিসংখ্যানও কাসেমিরোর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের কথা বলছে।পুরো ম্যাচে তার পাসিং ছিল ৮৯ শতাংশ নিখুঁত। এছাড়া রক্ষণভাগকে সাহায্য করতে তিনি করেছেন ৪টি ক্লিয়ারেন্স, ১টি সফল ট্যাকল এবং ১টি ইন্টারসেপশন। গত মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা কাসেমিরোর পরবর্তী গন্তব্য হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামি। ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলতে নামা এই অভিজ্ঞ সেনানী প্রমাণ করলেন, চাপের মুখে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দলের জয়ের নায়ক হতে হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow