প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত যশোর
আজ যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে বরণ করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যশোর জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোসহ যশোরস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন ও জনসভা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সফল করতে আসা-যাওয়ার পথে নিরাপত্তাসহ কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হয়েছে অনুষ্ঠানস্থলগুলো। এসএসএফের দায়িত্বশীল ইউনিট যশোরে অবস্থান করছেন। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে যশোর শহরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে জানিয়েছে জেলা বিএনপি। এ কারণে বিএনপির দলীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। জনসভা ঘিরে বাস, প্রাইভেট, মাইক্রো ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৫ হাজারের মতো যানবাহনের জন্য ১০টি পার্কিং স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এমপি, মন্ত্রী ও ভিআইপিদের জন্য আলাদা পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে এবং তার মুখে আগামীর উন্নয়নের বার্তা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন যশোরবাসী। বিএনপি নেতাদের দাবি, সরকার প্রধানের আগমনে ওই দিন যশোর উৎসবের শহরে পরিণত হবে। শহর ও শহরতলিতে, গ্রাম পর্যায়েও চলছে মাইকিং। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে আশা
আজ যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে বরণ করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যশোর জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোসহ যশোরস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন ও জনসভা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সফল করতে আসা-যাওয়ার পথে নিরাপত্তাসহ কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হয়েছে অনুষ্ঠানস্থলগুলো। এসএসএফের দায়িত্বশীল ইউনিট যশোরে অবস্থান করছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে যশোর শহরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে জানিয়েছে জেলা বিএনপি। এ কারণে বিএনপির দলীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। জনসভা ঘিরে বাস, প্রাইভেট, মাইক্রো ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৫ হাজারের মতো যানবাহনের জন্য ১০টি পার্কিং স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এমপি, মন্ত্রী ও ভিআইপিদের জন্য আলাদা পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে এবং তার মুখে আগামীর উন্নয়নের বার্তা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন যশোরবাসী।
বিএনপি নেতাদের দাবি, সরকার প্রধানের আগমনে ওই দিন যশোর উৎসবের শহরে পরিণত হবে। শহর ও শহরতলিতে, গ্রাম পর্যায়েও চলছে মাইকিং। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন যশোরবাসী। এই সফর যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় মান উন্নয়ন ঘটবে— এমনটিই আশা সবার। নানা প্রত্যাশা ও দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিয়ে উন্নয়ন ও দিন বদলের নেতৃত্ব দেবেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আশাবাদ এ অঞ্চলের গণমানুষের।
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার উজ্জল হোসেনের তথ্যানুযায়ী, আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে শার্শার উলশী খাল পুনর্খনন অনুষ্ঠানস্থলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগদান করবেন। এরপর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন। পরে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন। এছাড়া বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
যশোরবাসী নানা দাবি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও চান আজকের জনসভায়। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে ২ ফেব্রুয়ারি যশোরে এসেছিলেন। আজ যশোরে তার দ্বিতীয় সফর। গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি ঘোষণা দিয়ে গিয়েছিলেন, তার বাবার স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খাল তিনি যশোরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে পুনর্খনন করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে তার এই সফর। এছাড়া যশোরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল বাস্তবায়নের। তারই রূপ দিতে তিনি আসছেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মানুষের দাবি, বিগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দফায় যশোরের জনসভায় যশোর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনের ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। কিন্তু তারুণ্যের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ঘোষণা দেবেন এমনটি আশা করছেন তারা। একই সঙ্গে ভবদহে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান, যশোরে একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিও পুরোনো। যশোরের সুধীজনদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটিও রয়েছে। তাদের দাবি, এই সরকারের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি হোক। যশোর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক কার্গো বিমানবন্দর করার দাবিও অনেকের।
যশোর জেলা বিএপির সাধারণ সম্পাদক ও যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক লোক সমাগমের টার্গেট করছেন। এর বেশিরভাগ লোকই আসবে শহরের বাইরে থেকে। বৃহত্তর যশোরের ৪ জেলা ছাড়াও খুলনা বিভাগের অন্য ১০ জেলা থেকেও কমবেশি মানুষ জনসভায় আসবেন। একটি শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক জনসভা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা বিএনপি। এরপর যানবাহনের দিকটিও সুন্দরভাবে দেখা হচ্ছে। এর জন্য ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে পার্কিং এলাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?